বুধবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৬

প্রতিদিন আয় করুন ১থেকে১০ ডলার আপনার Android ফোন থেকে ১০০% গ্যারান্টি

প্রতিদিন আয় করুন ১থেকে১০ ডলার আপনার Android ফোন থেকে ১০০% গ্যারান্টি
লিখেছেন : Jamiul Karim বিভাগ : অনলাইন ইনকাম » প্রকাশিত : আগস্ট ২০, ২০১৬ » ২১ টি মন্তব্য 
http://i1.wp.com/s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/bditcorner/384318/dfsda.png?resize=236%2C236
আসসালামু আলাইকুম।
কেমন আছেন আপনারা?

আশা করি সবাই ভালই আছেন। ߘ
আপনারা হয়তো এর আগেও অনেকে এন্ড্রয়েড ফোন দিয়ে টাকা আয় করার চেষ্টা করেছেন। কেও ব্যবহার করেছেন mcent বা অন্য কোন অ্যাপ। কিন্তু মনের মত কি আয় করতে পেরেছেন? আমিও mcent ব্যবহার করেছি। কিন্তু মোটেও সন্তুষ্ট হতে পারিনি। কেননা তাদের রেট খুব কম। আবার কখনও কখনও অ্যাপ শো করেনা। তাই ব্যবহার করতে আর ইচ্ছে হচ্ছিল না। তখন ভাব্লাম আমার ভাগ্যে মনে হয় টাকা আয় আর হবে। তারপর দেখলাম whaff নামের একটি অ্যাপ। প্রথমে ভাবলাম এটা মনে হয় mcent এর মতই ফালতু একটা অ্যাপ। তারপর কিছুদিন ব্যবহার করলাম। ভাল আয়ও করলাম। প্রায় ২২ ডলার। তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করতেছি। এটি ব্যবহারে আপনি কখনও হতাশ হবেন না।
নিচে এর ফিচার গুলো উল্লেখ করলামঃ
·         প্লে স্টোর থেকে WHAFF এ দেয়া কোন অ্যাপ Install করলেই পবেন $0.05-$0.12 পর্যন্ত।
·         WHAFF দিয়ে Install করা অ্যাপটি প্রতিদিন ব্যবহার করলেই পাবেন $0.02-$0.1 পর্যন্ত। তবে একটি নির্দিষ্ট সময় দিন পর্যন্ত পাবেন।
·         WHAFF দিয়ে install করা অ্যাপটি uninstall না করলে প্রতিদিন পাবেন $0.01-$0.1 পরযন্ত।
প্রতিদিন WHAFF এ attendance চেক করলে পাবেন $0.020
·         প্লে স্টোরে WHAFF এর উপর রিভিও কররে পাবেন $0.1
·         গুগল প্লাসে WHAFF কে অ্যাড করলে পাবেন $0.1
·         এটি রেফারেলও সাপোট করে। তাই রেফারেল করেও টাকা আয় করতে পারবেন।
·         এটি ব্যবহার করা খুবই সহজ।
·         এছারাও যদি আপনি কাওকে ইনভাইট করেন তাহলে আপনি পাবেন ০.৫০ ডলার আর সেও পাবে ০.৫০ ডলার।
টাকা Payout করার পদ্ধতি সমূহ:
·         Google Play Gift Card(কমপক্ষে $12)
·         Amazon Gift Card(কমপক্ষে $10.5)
·         Paypal (কমপক্ষে 10.5)
·         Itunes Gift Card(কমপক্ষে $12)
·         Xbox Gift Card(কমপক্ষে $10.5)
·         Facebook Gift Card(কমপক্ষে $12)
·         PlayStation Gift Card(কমপক্ষে $10.5)
·         Steam Gift Card(কমপক্ষে $22)
তো চলুন শুরু করা যাক
১। প্রথমে whaff অ্যাপটি আপনার মোবাইলে ডাউনলোড করে নিন। অথবা প্লে-স্টোর থেকে WHAFF লিখে নামিয়ে নিন।
২। এরপর অ্যাপটি ওপেন করে নিচের ছবির মত login এ ক্লিক করুন
abcdfdgdgf
৩। তাহলে ফেসবুক লগিন উইন্ডো বের হবে সেখানে আপনার ইমেইল ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করুন (ভয় পাবেননা এটি কোন ফিশিং অ্যাপ নয়)। নিচের মতো করে
http://i0.wp.com/s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/bditcorner/384318/6.jpg?resize=351%2C351
৪। এরপর নিচের মতো দেখতে পাবেন ওইখানে OK তে ক্লিক করুন
http://i1.wp.com/s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/bditcorner/384318/3.png?resize=284%2C473
৫। ওকে তে ক্লিক করলে  আপনি সাইন ইন হয়ে যাবেন। এবং নিচের মতো উইন্ডো দেখতে পাবেন
এইখানে এই ঘরে EN23596 লিখুন এবং ওকে তে ক্লিক করুন। তাহলে আপনি পাবেন ০.৫০ ডলার। এটি হচ্ছে আমার ইনভাইটেশন কোড। এই কোড লিখে ওকে করলে আপনি পাবেন ০.৫০ ডলার সাথে আমিও পাব ০.৫০ ডলার। কেননা আমি আপনাকে ইনভাইট করলাম তাই। যদি আপনি কোড টা না দেন তাহলে আপনি ০.৫০ ডলার পাবেন না।
Input This Invitation Code: EN23596 And  Get $0.50
http://i2.wp.com/s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/bditcorner/384318/4.png?resize=311%2C553
 Input This Invitation Code: EN23596
৭। কোডটি দেওয়ার পর নিচের মতো উইন্ডো দেখতে পাবেন।এইখানে আপনি নানা ধরনের আপ্পস পাবেন। এখন অগুলো শুধু ডাউনলোড করুন। আর আয় করতে থাকুন।
·         প্লে স্টোর থেকে WHAFF এ দেয়া কোন অ্যাপ Install করলেই পবেন $0.05-$0.12 পর্যন্ত।
·         WHAFF দিয়ে Install করা অ্যাপটি প্রতিদিন ব্যবহার করলেই পাবেন $0.02-$0.1 পর্যন্ত। তবে একটি নির্দিষ্ট সময় দিন পর্যন্ত পাবেন।
·         WHAFF দিয়ে install করা অ্যাপটি uninstall না করলে প্রতিদিন পাবেন $0.01-$0.1 পরযন্ত।
http://i1.wp.com/s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/bditcorner/384318/90.png?resize=328%2C584
৮। প্রতিদিন WHAFF এ attendance চেক করলে পাবেন $0.020। নিচের ছবির মতো Check your attendence and get rewards এ ক্লিক করুন তাহলেই পেয়ে যাবেন $0.O2O
http://i1.wp.com/s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/bditcorner/384318/98.jpg?resize=362%2C643
৯। নিচের ছবির মতো করে whaff এর লোগো তে ক্লিক করুন। তাহলে একটি মেনু ওপেন হবে। সেখানে Invite Friend নামে একটি অপশন আছে। ওইখানে ক্লিক করলেই আপনি আপনার Invitation code টি দেখতে পারবেন।
আর সেটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন তাহলে আপনি পাবেন ৳৳ :D।
http://i2.wp.com/s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/bditcorner/384318/1223.png?resize=351%2C624
পেমেন্ট প্রুফ
http://i2.wp.com/s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/bditcorner/384318/99.png?resize=372%2C662
তো আজ এই পর্যন্তই দেখা হবে আগামি কোন টিউনে সে প্রজন্ত ভাল থাকুন আর কোন প্রশ্ন থাকলে ফেসবুকে মেসেজ দিতে পারেন Jamiul Karim>>

শনিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

hindi peom love peom sad love

Muddat Hui Hai Yar Ko Mehmaan Kiye Hue Dil Zid Pe Arh Gaya Wohi Armaan Liye Hue Dil Mera Shikasta Hai Teri Baaton Se Phir Se Is Raaz Ko Kehna Hai Yehi Raaz Liye Hue Manind Bahar Hum Ne Guzara Hai Tera Sath Ab Kaanton Pe Chalna Hai Wohi Gulzar Liye Hue Us Lamha Qayamat Si Guzar Jati Hai Dil Pe Us Raah Pe Thehrun Jab Wohi Maat Liye Hue Sajdon Se Na Aahon Se Na Koshish Se Tu Hasil Phir Tujh Ko Manana Hai Teri Baat Liye Hue Jeeny Ki Wajah De Ya Marny Ka Bahana De Is Aas Main Thehra Hun Yehi Aas Liye Hue Anjum Ki Ye Fitrat Hai Kabhi Haar Na Many Phir Fatah Ko Paana Hai Wohi Maat Liye Hue... Jab Koi Geet Sunaata Hai.. Ek Shakhs Bahut Yaad Aata Hai Dil Patthar Ka Ho Jata Hai... Ek Shakhs Bahut Yaad Aata Hai .. ....

শুক্রবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

Muddat Hui Hai Yar Ko Mehmaan Kiye Hue

Muddat Hui Hai Yar Ko Mehmaan Kiye Hue Dil Zid Pe Arh Gaya Wohi Armaan Liye Hue Dil Mera Shikasta Hai Teri Baaton Se Phir Se Is Raaz Ko Kehna Hai Yehi Raaz Liye Hue Manind Bahar Hum Ne Guzara Hai Tera Sath Ab Kaanton Pe Chalna Hai Wohi Gulzar Liye Hue Us Lamha Qayamat Si Guzar Jati Hai Dil Pe Us Raah Pe Thehrun Jab Wohi Maat Liye Hue Sajdon Se Na Aahon Se Na Koshish Se Tu Hasil Phir Tujh Ko Manana Hai Teri Baat Liye Hue Jeeny Ki Wajah De Ya Marny Ka Bahana De Is Aas Main Thehra Hun Yehi Aas Liye Hue Anjum Ki Ye Fitrat Hai Kabhi Haar Na Many Phir Fatah Ko Paana Hai Wohi Maat Liye Hue...

বৃহস্পতিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

বিয়ের গল্প

সাদিয়া এই প্রথম তামিমের দিকে তাকালো। তাকিয়ে আর চোখ ফেরাতে পারলো না! কারণ তার কল্পনা শক্তির সঙ্গে মিলে গেছে তামিমের চেহারা! এই ছেলেকে তরুণ বলা চলে, যুবক নয়। সাদিয়ার ক্লাসমেট বললেও বিশ্বাসযোগ্য। . তামিম আবার হাসছে! সাদিয়ার রাগ উঠে গেল! এই ছেলের কি হাসির রোগ আছে নাকি! তবে হাসিটা সুন্দর। . তামিম বলল, " তুমি আবার রেগে যাচ্ছো কেন? " . সাদিয়ার নিরবতায় তামিম আবার বলল, " ঠিক আছে আর হাসবো না। তোমাকে কিছু প্রশ্ন জিজ্ঞেস করি? " . সাদিয়া মাথা নাড়লো। তামিম বলল, " তোমার সবচেয়ে ভালো লাগে কি করতে? " . সাদিয়া এবার অবাক হলো। সে এই প্রশ্ন আসা করেনি। তার সংকোচ কেটে গেছে, তাই সে এখন তামিমের দিকে তাকিয়ে আছে। . " বাঁশির শব্দ শুনতে আমার ভালো লাগে। " - আস্তেধীরে বলল সাদিয়া। . তামিম আবার প্রশ্ন করলো, " তোমার প্রিয় খাবার কি? " . - মোরগ পোলাও। -- তুমি কি রাঁধতে পারো? - হু পারি। . -- ঠিক আছে। আমার কথা শেষ। এখন আসি? - আমি কিছু জিজ্ঞেস করতে পারি? (ইকটু ভেবে সাদিয়া প্রশ্ন করলো।) -- অবশ্যই, বলো। . - আপনি কি করেন? -- ব্যাংকে চাকরি করি। - আপনি কি পর্যন্ত পড়েছেন? -- অনার্স পাশ করেছি। . - একটা পার্সোনাল প্রশ্ন করবো? -- হ্যাঁ করো। - আপনার বয়স তো অনেক কম! এত কম বয়সে আপনাকে বিয়ে দিতে চাইছে কেন? . অল্প করে হাসলো তামিম। তারপর বলল, . - আমার বয়স ততটা কম নয়। তোমার চেয়ে ৫ বছরের বড় হবো। -- আমার প্রশ্নের উত্তর পাইনি। - আসলে আমার আড্ডাবাজীর অভ্যাস আছে। অফিস ছুটি হয় ৫ টায়, কিন্তু আমি বাসায় ফিরি ১০ টায়। বাসার সবার ধারণা বিয়ে দিয়ে দিলে আমার আড্ডাবাজী বন্ধ হয়ে যাবে। -- আপনার কি ধারণা? বিয়ের পরে আড্ডাবাজী বন্ধ হবে? . - যদি তুমি আমার বউ হও তাহলে অবশ্যই বন্ধ হবে। . সাদিয়া এবার লজ্জা পেয়ে গেল। মাথা নিচু করে রইলো। তামিম বলল, " আমি তাহলে আসি। " . সাদিয়া হ্যাঁ সূচক মাথা নাড়লো। তামিম গেট পর্যন্ত গিয়ে আবার ফিরে আসলো। পকেট থেকে একটি খাম বের করে বলল, এটা রাখো। . সাদিয়া হাত বাড়িয়ে খামটি নিলো। তামিম চলে গেল। . (চার) . তামিম রুম থেকে বের হওয়ার সাথে সাথেই দুই ভাবী রুমে ঢুকলো। বড় ভাবী সাদিয়ার হাত থেকে খাম নিয়ে নিলো। খুলে দেখলো সেখানে পাঁচ হাজার টাকা! . দুজন ভাবীই তব্দা লেগে গেল। সাদিয়াও কম অবাক হয়নি! মেয়ে দেখতে এসে এত টাকা কেউ দেয় নাকি! তার এক বান্ধবীকে দেখতে এসে এক হাজার টাকা দিয়েছিলো, আর আরেক বান্ধবীকে দিয়েছিলো ৫' শ টাকা। . বড় ভাবী বললেন, " কিরে ছেলে পছন্দ হয়েছে? " . - হু। -- ছেলেটি কিন্তু রসিক। - তোমরা কিভাবে জানলে? -- আমরা সবই শুনেছি। . - বলো কি! -- হ্যাঁ। ছেলেটা কিন্তু ভালোই। - হু। আমার ক্ষুধা লেগেছে ভাবী। . আসলে সাদিয়ার ক্ষুধা লাগেনি। এই দুজনের হাত থেকে বাঁচার জন্যেই সাদিয়া মিথ্যে বলেছে। . রাতে খবর আসলো যে, সাদিয়াকে তামিমের পরিবার পছন্দ করেছে। তারা রাজি থাকলে সামনের মাসেই বিয়ে হবে। . রাতে সাদিয়ার বাবা সাদিয়াকে জিজ্ঞেস করলো, " মা তুই কি রাজি আছিস? " . রাজি না হওয়ার প্রশ্নই আসেনা। সাদিয়া অবশ্যই রাজি। . (পাঁচ) . তামিম এর সাথে দেখা হওয়ার আগে সাদিয়া ছিলো কল্পনার জগতে। আর এখন সাদিয়া প্রবেশ করেছে ভাবনার জগতে। সে শুধু ভাবছেই আর ভাবছেই। . তামিম তাকে দেখতে এসেই ৫ হাজার টাকা দিলো! এর মানে ছেলেটি খরুচে। আর ছেলেটি রসিকতা করতে পছন্দ করে, এটা কোন সমস্যাই না। . সাদিয়া সারাদিন ভাবে তাই অন্যমনস্ক থাকে। এটি নিয়ে দুই ভাবী হাসাহাসি করে। সাদিয়ার রাগ উঠে। তাই এ দুজনের কাছ থেকে সাদিয়া দূরে দূরে থাকে। . সপ্তাহখানেক বাদেই বড় ভাবী এসে সাদিয়াকে বলল, " আমার সাথে দোকানে যাবি? " সাদিয়া রাজি হলো। . রাস্তায় নেমেই ভাবী বলল, " সাদিয়া, রাস্তার ওই পাড়ের লাইব্রেরীর দিকে দেখতো। " . সাদিয়া লাইব্রেরির দিকে তাকিয়ে দেখলো তামিম দাড়িয়ে আছে। সাদিয়া অবাক হলো। ভাবী বলল, " যা কথা বলে আয়। " . - কেন যাবো? হয়তো কোন কাজে এসেছে। -- না কাজে আসেনি। তোকে দেখতে এসেছে। - তুমি কিভাবে জানলে? -- তোর ভাই, ওকে কয়েকবার দেখেছে। বাসায় তো যেতে পারেনা, তাই তোকে দেখার জন্য রাস্তায় দাড়িয়ে থাকে। তুই যা, আমি এখানে দাড়ালাম। . সাদিয়া রাস্তা পাড় হওয়ার জন্য রওনা দিলো। . (ছয়) . তামিম অবাক হয়ে দেখলো সাদিয়া রাস্তা পাড় হচ্ছে, একাই। এর মানে তার কাছেই আসছে। তামিম ভয় পেয়ে গেল! এই মেয়ের যেই রাগ কি করে আল্লাহই জানে। . সাদিয়া তামিমের মুখোমুখি দাড়ালো। তারপর বলল, . - আপনি এখানে কি করেন? -- এসেছিলাম এক কাজে। তোমার সাথে দেখা হয়ে গেল। কি কপাল আমার ... - ভণিতা ছাড়েন। আগেও অনেকবার এখানে দাড়িয়ে ছিলেন আপনি। আজকে অফিস নাই? -- না। ছুটি নিয়েছি। . - কেন? -- শরীর টা বেশি ভালো না। - তাহলে বাসায় শুয়ে না থেকে এখানে এসে দাড়িয়ে আছেন কেন? -- তোমাকে দেখতে ইচ্ছে হচ্ছিলো! . - আমি কি উড়ে যাচ্ছি! এত অধৈর্য কেন আপনি? -- তুমি বেশি রেগে গেছো। - রাগবো না তো কি করবো? বাসার সবাই জেনে গেছে। এখন আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করবে! -- আমি দুখিঃত। চলে যাচ্ছি আর আসবো না। . তামিম চলে যাচ্ছিলো। সাদিয়া পিছু থেকে ডাক দিলো। এতক্ষণে তামিমের জন্য মায়া হয়েছে সাদিয়ার। বলল, . - আমিও দুখিঃত। -- কেন? - অনেক রাগ দেখালাম আপনার সাথে। -- আরে নাহ, আমারই ভুল ছিলো। - আপনার মোবাইল নাম্বারটা আমাকে দিবেন? . -- আচ্ছা, নাও। . সাদিয়া মোবাইলে সেভ করে নিলো। তারপর বলল, . - এখন আসি। -- আমি তোমাকে রাস্তা পাড় করে দেই? - আচ্ছা। . (ছয়) . সাদিয়া যেমনটি ভেবেছিলো তেমন কিছু হয়নি। তার বাসায় তাকে নিয়ে হাসাহাসি হয়নি। ভাইয়া, ভাবীরা বিষয়টা স্বাভাবিক ভাবেই মেনে নিয়েছে। তবে সেদিন রাতে সাদিয়াকে বড় ভাবী বলল, . - তুই অনেক ভাগ্যবতী। -- কেন ভাবী? - তুই অনেক ভালো বর পেয়েছিস। ও এখনই তোকে ভালবেসে ফেলেছে। তুই অনেক সুখী হবি। . সাদিয়া কিছু বলল না। শুধু মনে মনে বলল, " আল্লাহ ভাবীর কথা যেনো সত্য হয়। " . মোবাইল নাম্বার নিলেও সাদিয়া অদৃশ্য কারণে ফোন দেয়ার মতো সাহস যোগার করতে পারলো না। . কাকতালীয় ব্যাপার ঘটলো সাদিয়ার জন্য। বিয়ের ডেট পড়লো ভালবাসা দিবসে। . (সাত) . বিয়ের সকল আনুষ্ঠানিকতা ভালভাবেই শেষ হলো। সময় আসলো সাদিয়াকে বিদায় দেয়ার। তামিমের বাবার হাতে সাদিয়াক

মঙ্গলবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

love peom

A million stars up in the sky one shines brighter I can't deny A love so precious a love so true a love that comes from me to you The angels sing when you are near within your arms I have nothing to fear You always know just what to say just talking to you makes my day I love you honey with all of my heart together forever and never to part

ইসলামী পোষ্ট

রাশিয়ার সাথে যখন আফগানিস্তানের যুদ্ধ হয় রাশিয়ার বোমার অত্যাচারে আফগানিস্তানের মায়েরা বোনেরা আর টিকতে পারলনা । হাফেজী মায়ের কোর আন । এক হাফেজী ছেলের মা গর্ভবতী । গর্ভবতী মা তার বাবাকে ডেকে বললেন স্বামি গো এই খানে থাকতে পারব না রাশিয়ার সৈন্যরা মেরে ফেলবে । আমরা অন্যত্রে যাই এর পরে এই মহিলা হাফেজী ছেলে ও স্বামিকে নিয়া অন্যত্রে চলে গেল । কিন্তু ভাইজান মহিলা গর্ভবতী ছিল মহিলার যখন প্রসাব বেদনা উঠল আমাদের দেশের মত শিজার করা প্রয়োজন ডাক্তার ডাকা প্রয়োজন এখন টাকা প্রয়োজন একটা টাকাও নাই কোথায় পাবে টাকা এক পর্যায়ে হাফেজ আব্দুর রহমানের বাবাকে বললো স্বামি ও স্বামি আপনে কিছু মনে নিবেন না আমরা যেই বাড়ি থেকে আসছি ঐ বাড়িতে আমি কিছু টাকা (খুটির ভিতর) রাখছিলাম আপনে সংস্বারে টাকা দিতেন তা থেকে আমি জমা রেখেছি। স্বামী ই হাফেজ আব্দুর রহমানকে পাঠাইয়া দিন ঐ যায়গা থেকে টাকা গুলো আনতে । আমার ভাইরা আট বছরের সন্তান হাফেজি কুর আন । চলে গেল রাশিয়ার সৈন্যরা তুরফিন দেখে কোন তালেবান আমাদের দিকে আসেকিনা কোন আলকায়দার গোষ্ঠী আমাদের দিকে আসে কিনা কিন্তু আট বছরের ছেলে তো তালেবান না এই ছেলে পাগড়ি মাথায় দিয়া কুর আন বুকে নিয়া মায়ের টাকা আনতে পুরান বাড়িতে যাচ্চে আর জিকির করে লাইলাহা ইল্লালাহ লাইলাহালা ইল্লা লাহ ।এক পর্যায়ে বাড়িতে চলে যাওয়ার পর ছোট্ট মানুষ রাত্র বেলায় যখন ভূল করে যখন রাশিয়ার ক্যাম্পে চলে গেল হাঃ আঃ রহিমকে তালেবান বলে গ্রেফতার করল ।তার উপার যখন টর্চার শুরু করল (স্রীকগুলার চালায়) ডাক দিয়ে বলে । এই ছেলে চাচাগো আমিতো তালেবান নই গো চাচা আমি একজন কুর আন শিক্ষাত্রী গো চাচা আমি হাফেজি কুর আন গো চাচা আমারে আপনে আর মারবেন না ।হায়রে নিষ্ঠুর সৈন্যরা যখন জানতে পারল কুর আনে হাফেজ । রাশিয়ার সৈন্যরা ডাক দিয়া বলল তোকে আর মারবোনা তোর কুর আন কেমন সত্য তোদের আল্লাহ বলছে তোদের কুর আনে বলছে তোদের কুর আন সত্য । এখন আমরা পরিক্ষা করে দেখব হাঃ আঃ বলল চাচা কেমনে দেখবেন । ঐ যে সাজোয়া ট্যাংক সাজিয়ে রাখছে তোর কুর আনের আয়াত পড়ে ফুক দিয়া দিবা যদি ঐ ট্যাংক গুলো যদি আগুন ধরাতো পার তাহালে মনে করব তোর কুর আন সত্য হাঃ আঃ রহমান ডাক দিয়া বলল চাচাগো ওজুর পানি দিন । কিতাবে লিখক লিখে এই ছোট্ট ছেলের চামড়া প্লাহ দিয়া টেনেছে এই ছেলে ডাক দিয়া বলছে চাচা আমি তো কোন তালেবান নই আমি একজন কুর আন শিক্ষার্থী মাদরাসার ছাত্র আপনে আমাকে আরমাবেন না কিন্তু নিষ্ঠুর পাষান বির্ধমী রাশিয়ার সৈন্যরা একথা শুনেনা । এর পর ওজুর পানি দিল এই ছেলে দু ই রাকাত নামাজ পড়ল আল্লাহকে ডাক দিয়ে বলল আল্লাহ ও আমার আল্লাহ ওমাবুদ তুমি ছাড়া আমার কোন বন্দু নাই । মা ওষুধ কিনতে টাকা নিতে পাঠাইছে ...ও আমার আল্লাহ আমায় নির্যাতন করেছে মারছে এর পর চক্রান্ত করেছে তোমার কুর আন পরিক্ষা করবে ফুক দিয়া ট্যাংকে আগুন ধরাতে হবে আমি কি ধরাতে পারব ও আমার আল্লাহ আমায় নির্যাতন করেছে এতে দুঃখ নাই আমারে মারে মারুক । যদি আমি আগুন না ধরাতে পারি তাহলে তোমার কুর আন মিথ্যা বলে প্রচার করে দিবে ও আমার আল্লাহ তোমার দরবারে কুর আনের ইজ্জত ভিক্ষা চাই (ছুবহানাল্লাহ) । ও আমার আল্লাহ আমি আয়াত পড়ে ফুক দিব তুমি আগুন ধরাইয়া দিও । মোনাজাত শেষ করে দুরুদ ইবরাহিম পড়ল নবী (সঃ) এর পর সুন্দর করে কিবলা মুখি হইয়া ।  ট্যাংকের দিকে মুখ করে দুইটা আগুল মাটিতে চিমটি দিল কিছু মাটি নিল মাটি নিয়া কুর আনের আয়াত ওমা... এ আয়াত পড়িয়া ভাইজান ট্যাংকে দিকে ছুরে দিল ছুরতে দেড়ি । কয়েক জন সাংবাদিকরা বলে হাফেজ আব্দুর রহমানের ছুড়তে দেড়ি হল একটা না দু ইটা না আঠারোটা ট্যাংক দাউ দাউ করে আগুন ধরে গেল । এর পর রাশিয়ার সৈন্যরা ধাপ করে জমিনে সেজদা দিয়া দিল হাফেজ আঃ রহমানের পা জাবরিয়ে ধরে বলল বাবা আঃ রহমান আমরা বুজতে পারি নাই তোমার আল্লাহ সত্য তোমার কুর আন সত্য আমাদের এখনি পড়াইয়া দাও কালেমা লাইলা ইল্লাহু মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ (সঃ)

সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

--------14 ই ফেব্রুয়ারী -------- 14 ফেব্রুয়ারী মানি বিশ্ব যিনা দিবস। 14 ফেব্রুয়ারী মানি বিশ্ব বেহেয়াপনার দিবস। 14 ফেব্রুয়ারী মানি প্রেমিক তার প্রেমিকার ঠোঁটের লেবিস্টিক খাওয়ার দিবস। 14 ফেব্রুয়ারী মানি যুবক যুবতীর সতিত্ব নষ্ট করার দিবস। 14 ফেব্রুয়ারী মানি অধিকাংশ বেহেয়া নারীদের গর্ভে অবৈধ সন্তান ধারণ করার দিবস। 14 ফেব্রুয়ারী মানি ইহুদী খৃষ্টানদের অনুসরণ করার দিবস। 14 ফেব্রুয়ারী মানি শয়তানকে খুশি করার দিবস। এবার আপনি কি করবেন? হ্যাঁ হ্যাঁ আপনাকে প্রশ্নঃ করছি, কারণ আপনারাই হলেন এই যুবক যুবতীর মা বাবা .. তাই আপনাদেরই দায়িত্ব আপনার যুবক ছেলেটি আর যুবতী মেয়েটি কোথায় যাচ্ছে,কার সাথে কি করছে, শুধু জম্ম দিলেই মা বাবা হয়া যায় না। তাই এই 14 ই ফেব্রুয়ারীর দিন অবশ্যই আপনি আপনার যুবক, যুবতী মেয়েকে ঘর থেকে বের হতে দিবেন না, অন্তপক্ষে একদিনের জন্য হলেও আপনি দেখিয়ে দিন আপনি একজন দায়িত্বশীল বাবা অথবা মা ... আল্লাহ যেন আমাদেরকে এই অশ্লীল পাপাচার কাজ থেকে হেফাজত করেন ..আমীন