Muddat Hui Hai Yar Ko Mehmaan Kiye Hue
Dil Zid Pe Arh Gaya Wohi Armaan Liye Hue
Dil Mera Shikasta Hai Teri Baaton Se Phir Se
Is Raaz Ko Kehna Hai Yehi Raaz Liye Hue
Manind Bahar Hum Ne Guzara Hai Tera Sath
Ab Kaanton Pe Chalna Hai Wohi Gulzar Liye Hue
Us Lamha Qayamat Si Guzar Jati Hai Dil Pe
Us Raah Pe Thehrun Jab Wohi Maat Liye Hue
Sajdon Se Na Aahon Se Na Koshish Se Tu Hasil
Phir Tujh Ko Manana Hai Teri Baat Liye Hue
Jeeny Ki Wajah De Ya Marny Ka Bahana De
Is Aas Main Thehra Hun Yehi Aas Liye Hue
Anjum Ki Ye Fitrat Hai Kabhi Haar Na Many
Phir Fatah Ko Paana Hai Wohi Maat Liye Hue...
Jab Koi Geet Sunaata Hai.. Ek Shakhs Bahut Yaad Aata Hai
Dil Patthar Ka Ho Jata Hai... Ek Shakhs Bahut Yaad Aata Hai .. ....
শনিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
শুক্রবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
Muddat Hui Hai Yar Ko Mehmaan Kiye Hue
Muddat Hui Hai Yar Ko Mehmaan Kiye Hue
Dil Zid Pe Arh Gaya Wohi Armaan Liye Hue
Dil Mera Shikasta Hai Teri Baaton Se Phir Se
Is Raaz Ko Kehna Hai Yehi Raaz Liye Hue
Manind Bahar Hum Ne Guzara Hai Tera Sath
Ab Kaanton Pe Chalna Hai Wohi Gulzar Liye Hue
Us Lamha Qayamat Si Guzar Jati Hai Dil Pe
Us Raah Pe Thehrun Jab Wohi Maat Liye Hue
Sajdon Se Na Aahon Se Na Koshish Se Tu Hasil
Phir Tujh Ko Manana Hai Teri Baat Liye Hue
Jeeny Ki Wajah De Ya Marny Ka Bahana De
Is Aas Main Thehra Hun Yehi Aas Liye Hue
Anjum Ki Ye Fitrat Hai Kabhi Haar Na Many
Phir Fatah Ko Paana Hai Wohi Maat Liye Hue...
বৃহস্পতিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
বিয়ের গল্প
সাদিয়া এই প্রথম তামিমের দিকে
তাকালো। তাকিয়ে আর চোখ ফেরাতে
পারলো না! কারণ তার কল্পনা শক্তির
সঙ্গে মিলে গেছে তামিমের চেহারা! এই
ছেলেকে তরুণ বলা চলে, যুবক নয়।
সাদিয়ার ক্লাসমেট বললেও
বিশ্বাসযোগ্য।
.
তামিম আবার হাসছে! সাদিয়ার রাগ
উঠে গেল! এই ছেলের কি হাসির রোগ
আছে নাকি! তবে হাসিটা সুন্দর।
.
তামিম বলল, " তুমি আবার রেগে
যাচ্ছো কেন? "
.
সাদিয়ার নিরবতায় তামিম আবার বলল,
" ঠিক আছে আর হাসবো না। তোমাকে
কিছু প্রশ্ন জিজ্ঞেস করি? "
.
সাদিয়া মাথা নাড়লো। তামিম বলল, "
তোমার সবচেয়ে ভালো লাগে কি করতে?
"
.
সাদিয়া এবার অবাক হলো। সে এই
প্রশ্ন আসা করেনি। তার সংকোচ কেটে
গেছে, তাই সে এখন তামিমের দিকে
তাকিয়ে আছে।
.
" বাঁশির শব্দ শুনতে আমার ভালো
লাগে। " - আস্তেধীরে বলল সাদিয়া।
.
তামিম আবার প্রশ্ন করলো, " তোমার
প্রিয় খাবার কি? "
.
- মোরগ পোলাও।
-- তুমি কি রাঁধতে পারো?
- হু পারি।
.
-- ঠিক আছে। আমার কথা শেষ। এখন
আসি?
- আমি কিছু জিজ্ঞেস করতে পারি?
(ইকটু ভেবে সাদিয়া প্রশ্ন করলো।)
-- অবশ্যই, বলো।
.
- আপনি কি করেন?
-- ব্যাংকে চাকরি করি।
- আপনি কি পর্যন্ত পড়েছেন?
-- অনার্স পাশ করেছি।
.
- একটা পার্সোনাল প্রশ্ন করবো?
-- হ্যাঁ করো।
- আপনার বয়স তো অনেক কম! এত
কম বয়সে আপনাকে বিয়ে দিতে চাইছে
কেন?
.
অল্প করে হাসলো তামিম। তারপর
বলল,
.
- আমার বয়স ততটা কম নয়। তোমার
চেয়ে ৫ বছরের বড় হবো।
-- আমার প্রশ্নের উত্তর পাইনি।
- আসলে আমার আড্ডাবাজীর অভ্যাস
আছে। অফিস ছুটি হয় ৫ টায়, কিন্তু
আমি বাসায় ফিরি ১০ টায়। বাসার
সবার ধারণা বিয়ে দিয়ে দিলে আমার
আড্ডাবাজী বন্ধ হয়ে যাবে।
-- আপনার কি ধারণা? বিয়ের পরে
আড্ডাবাজী বন্ধ হবে?
.
- যদি তুমি আমার বউ হও তাহলে
অবশ্যই বন্ধ হবে।
.
সাদিয়া এবার লজ্জা পেয়ে গেল। মাথা
নিচু করে রইলো। তামিম বলল, " আমি
তাহলে আসি। "
.
সাদিয়া হ্যাঁ সূচক মাথা নাড়লো। তামিম
গেট পর্যন্ত গিয়ে আবার ফিরে
আসলো।
পকেট থেকে একটি খাম বের করে বলল,
এটা রাখো।
.
সাদিয়া হাত বাড়িয়ে খামটি নিলো।
তামিম চলে গেল।
.
(চার)
.
তামিম রুম থেকে বের হওয়ার সাথে
সাথেই দুই ভাবী রুমে ঢুকলো। বড় ভাবী
সাদিয়ার হাত থেকে খাম নিয়ে নিলো।
খুলে দেখলো সেখানে পাঁচ হাজার টাকা!
.
দুজন ভাবীই তব্দা লেগে গেল। সাদিয়াও
কম অবাক হয়নি! মেয়ে দেখতে এসে এত
টাকা কেউ দেয় নাকি! তার এক
বান্ধবীকে দেখতে এসে এক হাজার টাকা
দিয়েছিলো, আর আরেক বান্ধবীকে
দিয়েছিলো ৫' শ টাকা।
.
বড় ভাবী বললেন, " কিরে ছেলে পছন্দ
হয়েছে? "
.
- হু।
-- ছেলেটি কিন্তু রসিক।
- তোমরা কিভাবে জানলে?
-- আমরা সবই শুনেছি।
.
- বলো কি!
-- হ্যাঁ। ছেলেটা কিন্তু ভালোই।
- হু। আমার ক্ষুধা লেগেছে ভাবী।
.
আসলে সাদিয়ার ক্ষুধা লাগেনি। এই
দুজনের হাত থেকে বাঁচার জন্যেই সাদিয়া
মিথ্যে বলেছে।
.
রাতে খবর আসলো যে, সাদিয়াকে
তামিমের পরিবার পছন্দ করেছে। তারা
রাজি থাকলে সামনের মাসেই বিয়ে হবে।
.
রাতে সাদিয়ার বাবা সাদিয়াকে জিজ্ঞেস
করলো, " মা তুই কি রাজি আছিস? "
.
রাজি না হওয়ার প্রশ্নই আসেনা।
সাদিয়া অবশ্যই রাজি।
.
(পাঁচ)
.
তামিম এর সাথে দেখা হওয়ার আগে
সাদিয়া ছিলো কল্পনার জগতে। আর
এখন সাদিয়া প্রবেশ করেছে ভাবনার
জগতে। সে শুধু ভাবছেই আর ভাবছেই।
.
তামিম তাকে দেখতে এসেই ৫ হাজার
টাকা দিলো! এর মানে ছেলেটি খরুচে।
আর ছেলেটি রসিকতা করতে পছন্দ
করে, এটা কোন সমস্যাই না।
.
সাদিয়া সারাদিন ভাবে তাই অন্যমনস্ক
থাকে। এটি নিয়ে দুই ভাবী হাসাহাসি
করে। সাদিয়ার রাগ উঠে। তাই এ
দুজনের কাছ থেকে সাদিয়া দূরে দূরে
থাকে।
.
সপ্তাহখানেক বাদেই বড় ভাবী এসে
সাদিয়াকে বলল, " আমার সাথে দোকানে
যাবি? "
সাদিয়া রাজি হলো।
.
রাস্তায় নেমেই ভাবী বলল, " সাদিয়া,
রাস্তার ওই পাড়ের লাইব্রেরীর দিকে
দেখতো। "
.
সাদিয়া লাইব্রেরির দিকে তাকিয়ে
দেখলো তামিম দাড়িয়ে আছে। সাদিয়া
অবাক হলো। ভাবী বলল, " যা কথা বলে
আয়। "
.
- কেন যাবো? হয়তো কোন কাজে
এসেছে।
-- না কাজে আসেনি। তোকে দেখতে
এসেছে।
- তুমি কিভাবে জানলে?
-- তোর ভাই, ওকে কয়েকবার দেখেছে।
বাসায় তো যেতে পারেনা, তাই তোকে
দেখার জন্য রাস্তায় দাড়িয়ে থাকে। তুই
যা, আমি এখানে দাড়ালাম।
.
সাদিয়া রাস্তা পাড় হওয়ার জন্য রওনা
দিলো।
.
(ছয়)
.
তামিম অবাক হয়ে দেখলো সাদিয়া
রাস্তা পাড় হচ্ছে, একাই। এর মানে
তার কাছেই আসছে। তামিম ভয় পেয়ে
গেল! এই মেয়ের যেই রাগ কি করে
আল্লাহই জানে।
.
সাদিয়া তামিমের মুখোমুখি দাড়ালো।
তারপর বলল,
.
- আপনি এখানে কি করেন?
-- এসেছিলাম এক কাজে। তোমার সাথে
দেখা হয়ে গেল। কি কপাল আমার ...
- ভণিতা ছাড়েন। আগেও অনেকবার
এখানে দাড়িয়ে ছিলেন আপনি। আজকে
অফিস নাই?
-- না। ছুটি নিয়েছি।
.
- কেন?
-- শরীর টা বেশি ভালো না।
- তাহলে বাসায় শুয়ে না থেকে এখানে
এসে দাড়িয়ে আছেন কেন?
-- তোমাকে দেখতে ইচ্ছে হচ্ছিলো!
.
- আমি কি উড়ে যাচ্ছি! এত অধৈর্য
কেন আপনি?
-- তুমি বেশি রেগে গেছো।
- রাগবো না তো কি করবো? বাসার
সবাই জেনে গেছে। এখন আমাকে নিয়ে
হাসাহাসি করবে!
-- আমি দুখিঃত। চলে যাচ্ছি আর
আসবো না।
.
তামিম চলে যাচ্ছিলো। সাদিয়া পিছু
থেকে ডাক দিলো। এতক্ষণে তামিমের
জন্য মায়া হয়েছে সাদিয়ার। বলল,
.
- আমিও দুখিঃত।
-- কেন?
- অনেক রাগ দেখালাম আপনার সাথে।
-- আরে নাহ, আমারই ভুল ছিলো।
- আপনার মোবাইল নাম্বারটা আমাকে
দিবেন?
.
-- আচ্ছা, নাও।
.
সাদিয়া মোবাইলে সেভ করে নিলো।
তারপর বলল,
.
- এখন আসি।
-- আমি তোমাকে রাস্তা পাড় করে
দেই?
- আচ্ছা।
.
(ছয়)
.
সাদিয়া যেমনটি ভেবেছিলো তেমন কিছু
হয়নি। তার বাসায় তাকে নিয়ে হাসাহাসি
হয়নি। ভাইয়া, ভাবীরা বিষয়টা
স্বাভাবিক ভাবেই মেনে নিয়েছে। তবে
সেদিন রাতে সাদিয়াকে বড় ভাবী বলল,
.
- তুই অনেক ভাগ্যবতী।
-- কেন ভাবী?
- তুই অনেক ভালো বর পেয়েছিস। ও
এখনই তোকে ভালবেসে ফেলেছে। তুই
অনেক সুখী হবি।
.
সাদিয়া কিছু বলল না। শুধু মনে মনে
বলল, " আল্লাহ ভাবীর কথা যেনো
সত্য হয়। "
.
মোবাইল নাম্বার নিলেও সাদিয়া অদৃশ্য
কারণে ফোন দেয়ার মতো সাহস যোগার
করতে পারলো না।
.
কাকতালীয় ব্যাপার ঘটলো সাদিয়ার
জন্য। বিয়ের ডেট পড়লো ভালবাসা
দিবসে।
.
(সাত)
.
বিয়ের সকল আনুষ্ঠানিকতা ভালভাবেই
শেষ হলো। সময় আসলো সাদিয়াকে
বিদায় দেয়ার। তামিমের বাবার হাতে
সাদিয়াক
মঙ্গলবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
love peom
A million stars up in the sky
one shines brighter I can't deny
A love so precious a love so true
a love that comes from me to you
The angels sing when you are near
within your arms I have nothing to fear
You always know just what to say
just talking to you makes my day
I love you honey with all of my heart
together forever and never to part
ইসলামী পোষ্ট
রাশিয়ার সাথে যখন আফগানিস্তানের
যুদ্ধ হয় রাশিয়ার বোমার
অত্যাচারে আফগানিস্তানের
মায়েরা বোনেরা আর টিকতে পারলনা ।
হাফেজী মায়ের কোর আন । এক
হাফেজী ছেলের মা গর্ভবতী ।
গর্ভবতী মা তার বাবাকে ডেকে বললেন
স্বামি গো এই খানে থাকতে পারব
না রাশিয়ার সৈন্যরা মেরে ফেলবে ।
আমরা অন্যত্রে যাই এর পরে এই
মহিলা হাফেজী ছেলে ও
স্বামিকে নিয়া অন্যত্রে চলে গেল ।
কিন্তু ভাইজান মহিলা গর্ভবতী ছিল
মহিলার যখন প্রসাব বেদনা উঠল
আমাদের দেশের মত শিজার
করা প্রয়োজন ডাক্তার ডাকা
প্রয়োজন
এখন টাকা প্রয়োজন একটা টাকাও নাই
কোথায় পাবে টাকা এক পর্যায়ে হাফেজ
আব্দুর রহমানের বাবাকে বললো স্বামি
ও
স্বামি আপনে কিছু মনে নিবেন
না আমরা যেই বাড়ি থেকে আসছি ঐ
বাড়িতে আমি কিছু টাকা (খুটির ভিতর)
রাখছিলাম আপনে সংস্বারে টাকা দিতেন
তা থেকে আমি জমা রেখেছি। স্বামী ই
হাফেজ আব্দুর রহমানকে পাঠাইয়া দিন
ঐ
যায়গা থেকে টাকা গুলো আনতে ।
আমার
ভাইরা আট বছরের সন্তান হাফেজি কুর
আন । চলে গেল রাশিয়ার সৈন্যরা
তুরফিন
দেখে কোন তালেবান আমাদের
দিকে আসেকিনা কোন আলকায়দার
গোষ্ঠী আমাদের
দিকে আসে কিনা কিন্তু আট বছরের
ছেলে তো তালেবান না এই
ছেলে পাগড়ি মাথায় দিয়া কুর আন
বুকে নিয়া মায়ের টাকা আনতে পুরান
বাড়িতে যাচ্চে আর জিকির
করে লাইলাহা ইল্লালাহ
লাইলাহালা ইল্লা লাহ ।এক
পর্যায়ে বাড়িতে চলে যাওয়ার পর
ছোট্ট
মানুষ রাত্র বেলায় যখন ভূল করে যখন
রাশিয়ার ক্যাম্পে চলে গেল
হাঃ আঃ রহিমকে তালেবান বলে
গ্রেফতার
করল ।তার উপার যখন টর্চার শুরু
করল
(স্রীকগুলার চালায়) ডাক দিয়ে বলে ।
এই
ছেলে চাচাগো আমিতো তালেবান নই
গো চাচা আমি একজন কুর আন
শিক্ষাত্রী গো চাচা আমি হাফেজি কুর
আন গো চাচা আমারে আপনে আর
মারবেন না ।হায়রে নিষ্ঠুর সৈন্যরা
যখন
জানতে পারল কুর আনে হাফেজ ।
রাশিয়ার
সৈন্যরা ডাক দিয়া বলল তোকে আর
মারবোনা তোর কুর আন কেমন সত্য
তোদের আল্লাহ বলছে তোদের কুর
আনে বলছে তোদের কুর আন সত্য ।
এখন আমরা পরিক্ষা করে দেখব
হাঃ আঃ বলল চাচা কেমনে দেখবেন । ঐ
যে সাজোয়া ট্যাংক সাজিয়ে রাখছে তোর
কুর আনের আয়াত পড়ে ফুক
দিয়া দিবা যদি ঐ ট্যাংক গুলো যদি
আগুন
ধরাতো পার তাহালে মনে করব তোর
কুর
আন সত্য হাঃ আঃ রহমান ডাক
দিয়া বলল চাচাগো ওজুর পানি দিন ।
কিতাবে লিখক লিখে এই ছোট্ট ছেলের
চামড়া প্লাহ দিয়া টেনেছে এই ছেলে ডাক
দিয়া বলছে চাচা আমি তো কোন
তালেবান
নই আমি একজন কুর আন
শিক্ষার্থী মাদরাসার ছাত্র
আপনে আমাকে আরমাবেন না কিন্তু
নিষ্ঠুর পাষান বির্ধমী রাশিয়ার
সৈন্যরা একথা শুনেনা । এর পর ওজুর
পানি দিল এই ছেলে দু ই রাকাত নামাজ
পড়ল আল্লাহকে ডাক দিয়ে বলল
আল্লাহ
ও আমার আল্লাহ ওমাবুদ
তুমি ছাড়া আমার কোন বন্দু নাই ।
মা ওষুধ কিনতে টাকা নিতে পাঠাইছে
...ও
আমার আল্লাহ আমায় নির্যাতন
করেছে মারছে এর পর চক্রান্ত
করেছে তোমার কুর আন
পরিক্ষা করবে ফুক দিয়া ট্যাংকে আগুন
ধরাতে হবে আমি কি ধরাতে পারব ও
আমার
আল্লাহ আমায় নির্যাতন
করেছে এতে দুঃখ নাই আমারে মারে
মারুক
। যদি আমি আগুন
না ধরাতে পারি তাহলে তোমার কুর আন
মিথ্যা বলে প্রচার করে দিবে ও আমার
আল্লাহ তোমার দরবারে কুর আনের
ইজ্জত ভিক্ষা চাই (ছুবহানাল্লাহ) । ও
আমার আল্লাহ আমি আয়াত পড়ে ফুক
দিব তুমি আগুন ধরাইয়া দিও ।
মোনাজাত
শেষ করে দুরুদ ইবরাহিম পড়ল নবী (সঃ)
এর পর সুন্দর করে কিবলা মুখি হইয়া
।
ট্যাংকের দিকে মুখ করে দুইটা আগুল
মাটিতে চিমটি দিল কিছু মাটি নিল
মাটি নিয়া কুর আনের আয়াত ওমা... এ
আয়াত পড়িয়া ভাইজান
ট্যাংকে দিকে ছুরে দিল ছুরতে দেড়ি ।
কয়েক জন সাংবাদিকরা বলে হাফেজ
আব্দুর রহমানের ছুড়তে দেড়ি হল
একটা না দু ইটা না আঠারোটা ট্যাংক
দাউ
দাউ করে আগুন ধরে গেল । এর পর
রাশিয়ার সৈন্যরা ধাপ
করে জমিনে সেজদা দিয়া দিল হাফেজ
আঃ রহমানের পা জাবরিয়ে ধরে বলল
বাবা আঃ রহমান আমরা বুজতে পারি
নাই
তোমার আল্লাহ সত্য তোমার কুর আন
সত্য আমাদের এখনি পড়াইয়া দাও
কালেমা লাইলা ইল্লাহু মুহাম্মাদুর
রসূলুল্লাহ (সঃ)
সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
--------14 ই ফেব্রুয়ারী --------
14 ফেব্রুয়ারী মানি বিশ্ব যিনা
দিবস।
14 ফেব্রুয়ারী মানি বিশ্ব
বেহেয়াপনার দিবস।
14 ফেব্রুয়ারী মানি প্রেমিক তার
প্রেমিকার ঠোঁটের লেবিস্টিক
খাওয়ার দিবস।
14 ফেব্রুয়ারী মানি যুবক যুবতীর
সতিত্ব নষ্ট করার দিবস।
14 ফেব্রুয়ারী মানি অধিকাংশ
বেহেয়া নারীদের গর্ভে অবৈধ
সন্তান
ধারণ করার দিবস।
14 ফেব্রুয়ারী মানি ইহুদী
খৃষ্টানদের
অনুসরণ করার দিবস।
14 ফেব্রুয়ারী মানি শয়তানকে
খুশি
করার দিবস।
এবার আপনি কি করবেন? হ্যাঁ হ্যাঁ
আপনাকে প্রশ্নঃ করছি, কারণ
আপনারাই হলেন এই যুবক যুবতীর মা
বাবা ..
তাই আপনাদেরই দায়িত্ব আপনার যুবক
ছেলেটি আর যুবতী মেয়েটি
কোথায়
যাচ্ছে,কার সাথে কি করছে, শুধু জম্ম
দিলেই মা বাবা হয়া যায় না।
তাই এই 14 ই ফেব্রুয়ারীর দিন
অবশ্যই
আপনি আপনার যুবক, যুবতী মেয়েকে
ঘর
থেকে বের হতে দিবেন না,
অন্তপক্ষে
একদিনের জন্য হলেও আপনি দেখিয়ে
দিন আপনি একজন দায়িত্বশীল বাবা
অথবা মা ...
আল্লাহ যেন আমাদেরকে এই অশ্লীল
পাপাচার কাজ থেকে হেফাজত
করেন
..আমীন
পাত্রী দেখা
- কি রে মেয়ে পছন্দ হইছে?
- হ্যাঁ আম্মু হইছে (বাধ্য হয়ে
বললাম। কিন্তু আমি
এখনো মেয়ের ছবিই দেখি নাই)
- তাহলে তাড়াতাড়ি চলে আয়।
আমরা আর সময়
নষ্ট করতে চাচ্ছি না।
- ঠিক আছে আমি বাড়ি আসছি।
- বাড়ি আসবি কেন? তোর সাইফুল
চাচার বাসায়
আয়। আমরা সবাই তোর চাচার
বাসায়।
- কেন!!!ওখানে কেন?
- মেয়ের বাড়ি রংপুরে। তাই আমরা
সবাই রংপুরে
তোর চাচার বাসায় আছি। তুই আজই
চলে আয়।
কালকেই আমরা মেয়ে দেখতে যাব।
- কালকেই!!!! তা আমাকেও কি
যেতে হবে?
- গাধা,,তোর হবু বউকে তুই দেখবি
না? (রেগে গিয়ে)
- ঠিক আসে আমি আসছি।
.
ফোনটা কেটে দিলাম। আমার কোন
ইচ্ছে নেই
বিয়ে করার। কিন্তু বাড়ির সবাই
যেভাবে চেপে
ধরেছে রাজি না হয়ে আর উপয় নেই।
তারপরও
একটা প্লান করেছি যাতে বিয়ে না
হয়। কিন্তু
মনে হয়না তা সফল হবে।
.
বাসে বসে আছি। আমার কাছে
জার্নি একদাম
ভাল লাগে না। তারপরও বাসে যেতে
হচ্ছে।
.
- excuse me ভাইয়া এটা
আমার সিট।
একটা মেয়ে তার টিকিট দেখিয়ে
আমাকে বলল।
- ওহ!! সরি।
জানলার পাশের সিটটা ছেড়ে দিলাম।
বাস চলতে শুরু করল। একটু পরে
মেয়েটা আমাকে বলল
- আপনার নাম কি ভাইয়া?
- আল আমিন। আপনার নাম?
- মিরা।
- আপনি কি করেন?
- বি.এ কম্পিট করেছি। আপনি?
- আমি একজন ইঞ্জিনিয়ার
- ও। কোথায় যাচ্ছেন আপনি?
- রংপুর।
- বেড়াতে যাচ্ছেন।
- না কিছুদিনের মধেই আমার বিয়ে
তাই মেয়ে
দেখতে যাচ্ছি। একথা শুনে মেয়েটা
মুখ লুকিয়ে হাসছে। কেন বুঝতে
পারলাম না। এই মেয়েটা কি জিবনে
এরকম কথা শুনে
নাই। নাকি বিয়ে তার কাছে মিস্টার
বিনের
মতো একজন।
- আপনি কোথায় যাচ্ছেন?
মেয়েটা একটু চুপ থেকে বলল
- আমিও রংপুর যাচ্ছি।
- ও তাই। আপনার বাসা রংপুরে?
- হ্যাঁ। আপনি রংপুরে কার বাসা
যাচ্ছেন?
- আমার চাচার বাসা। আপনি কি
রংপুরে বেড়াতে
যাচ্ছেন?
- না আসলে আমারও কিছুদিনের
মধ্যে বিয়ে তাই।
- ও।
- তো আপনি মেয়েকে দেখেছেন?
- না। দেখতেই তো যাচ্ছি।
- না মানে। ছবি টবি কিছু দেখেন
নি।
- না দেখি নি।
- কেন?
- আসলে আমি বিয়েটা করতে
চাচ্ছিলাম না।
বাধ্য হয়ে করতে হচ্ছে।
- ও!! মেয়ের নাম জানেন?
- না।
- ওমা যার সাথে আপনার বিয়ে হচ্ছে
তার নামও
জানেন না।
- সত্যি বলতে কি আমি বিয়েটা
করব না বলে
ভাবছি। তাই কারও কাছে নাম
জানতে চাইনি।
- কেন? আপনি বিয়েটা করতে
চাচ্ছেন না কেন?
- ভাল লাগে না বিয়ে করতে
- কিইই। ভাল লাগে না তারমানে
আপনি এর আগেও বিয়ে করেছেন?
- আরে তা না..আমার বিয়ে করার
কোন ইচ্ছাই নাই।
- ও। তারমানে আপনি বিয়ে করবেন
না।
- ইচ্ছে তো সেরকমই আছে। বাই দা
ওয়ে আপনার
কথা বলুন। আপনি কি ছেলে
দেখেছেন?
- সরাসরি দেখিনি। ছবি দেখেছি।
- ছেলে পছন্দ হয়েছে?
- মোটামোটি।
এভাবে মেয়েটার সাথে অনেক কথা
হল।
মেয়েটাকে পুরো অন্য রকম মনে হল।
এখনকার
মেয়েরা অপরিচিত ছেলেদের সাথে
কথাই বলতে
চায় না। আর এই মেয়ে আমার সাথে
অনারগল অনেক কথা
বলেই চলছে। তার ফেবু আইডিও
দিল। মেয়েটাকে অনেক ভাল লাগল
আমার। দেখতেও খুব সুন্দর। বলা
যায় বলা যায় পছন্দও হল। ধুর কি
সব আজে বাজে বলছি। একটা
মেয়েকে দেখতে যাচ্ছি আর বাসে
একটা মেয়েকে পছন্দ করলাম। তাও
আবার তার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে।
.
রংপুর মেডিকেল মোড়ে বাস
স্ট্যান্ডে নেমে
একটা অটোরিক্সা নিয়ে চাচার
বাসায় চলে এলাম। বাসায় এসে
দেখলাম এখানে বিয়ে বাড়ির মতো হৈ
চৈ শুরু হয়েছে।
আমি যাওয়া মাত্র সবাই আমাকে
যেভাবে ঘিরে
ধরল মনে হচ্ছে আমি আজকেই বিয়ে
করছি।
সন্ধ্যার সময় ঘরে বসে আছি।
একটা আননোন নম্বর থেকে কল
আসল।
- হ্যালো…………আল আমিন
বলছেন?
- জি বলছি।
- আমি মনি।
- কোন মনি?....এ নামে তো আমি
কাউকে চিনি না।
- আপনার সাথে যে মেয়েটার বিয়ে
ঠিক হয়েছে
আমি সেই।
- ও। জি বলুন.....…কি বলবেন
- (একটু চুপ থেকে) আপনার কি
আমাকে পছন্দ
হয়েছে?
- এখনো তো আমি আপনাকে দেখিনি
কি করে
বলব।
চুপচাপ। কোন কথা নেই। একটুপর
ফোনটা কেটে গেল।
.
সন্ধ্যার সময় কেমন যেন খারাপ
খারাপ লাগল।
কাকে যেন মিস করছি। বাসে আসা
মেয়েটার
কথা মনে পরছে। নাহ এসময় বিয়ে
করলে জিবনটাই মাটি হয়ে যাবে। যে
করেই হোক বিয়েটা আটকাতে হবে।
আম্মুর সাথে কথা
বলতে হবে। আম্মু খুব ব্যস্ত। কথা
বলার সময় নেই।
কিন্তু আমাকে যে কথা বলতেই হবে।
তাই
সুযোগের অপেক্ষায় থাকলাম।
.
- আম্মু তোমার সাথে আমার কিছু
কথা আছে।
- কি বলবি তাড়াতাড়ি বল।
- আমি কালকে মেয়ে দেখতে যেত
পারব না।
- কেন?
- আমি এই মেয়েকে বিয়ে করব না।
- কেন? কালকে তো ফোনে বললি
তোর মেয়ে
পছন্দ হয়েছে!!
- আমি এখনো মেয়েটাকে দেখি নি।
- তো কালকে দেখবি।
- না। আমি বিয়ে করব না।
- কিন্তু কেন? তোর বিয়ে করতে
এতো অসুবিধা
কেন?
- আমি একটা মেয়েকে পছন্দ করি।
- সেটা আগে বলিস নি কেন?
- আরে বাবা আমি তো কালকেই
মেয়েটাকে পছন্দ
করলাম।
- ঠিক আছে আপাতত কালকে
মেয়েটাকে দেখতে যা। এসব পরে দেখা
যাবে।
.
মেয়ের বাসায় বসে আছি। মেয়েটা
আমার
সামনেই বসে আছে। কিন্তু একবারও
আমি
মেয়েটার দিকে তাকাই নি। মাথা নিচু
করে
আছি। আম্মু বলল
- এই একবার মেয়েটা দেখ না।
একেবারে পরির মতো দেখতে।
- আমার পছন্দ হয় নি (না তাকিয়ে
বললাম।
এমনভাবে বললাম যাতে আম্মু ছাড়া
আর কেউ
শুনতে না পারে)
- আরে আগে মেয়েটাকে দেখ তো।
- বললাম তো আমার পছন্দ হয়নি।
এমন সময় মেয়েটি দুলাভাই বলল
- ওদেরকে একটু একা কথা বলতে
দেওয়া দরকার।
সবাই তার সাথে একমত হল। মেয়েটি
উঠে চলে
গেল। বাধ্য হয়ে আমাকেও যেতে
হল। একটা ঘরে
ঢুকে প্রথম মেয়েটাকে দেখলাম। আর
দেখে আমি
আমার চোখকে বিশ্বাস করাতে
পারলাম না। এ
তো সেই বাসের মেয়েটা। তাহলে কি
এর সাথেই
আমার বিয়ে হতে চলছে?
- তুমি……মানে আপনি
- হ্যাঁ আমি।
- কিন্তু কি করে সম্ভব?
- আসলে বাসে আমি আপনাকে
পরিচয় দেই নি।
- কেন? (রেগে গিয়ে)
- লজ্জা লাগছিল তাই
- হুম!! অচেনা একটা মানুষের সাথে
কথা বলতে
লজ্জা লাগে না। আর নিজের পরিচয়
দিতে
লজ্জা লাগে?
- ওমা অচেনা হবে কেন আমি তো
আপনার ছবি
দেখেছি তাই আপনার সাথে কথা
বলেছি। অন্য
কেউ থাকলে কথা বলতাম না।
- কিন্তু বাসে আপনি বলেছিলেন
আপনার নাম
মিরা। আবার ফোনে বলেছিলেন
মনি,,কোনটা সত্য কোনটা মিথ্যা?
- বলব না। যে নিজের হবু ইয়ের নাম
জানে না তাকে আমি বলতে যাব কেন
- ও। তারমানে আপনি ইচ্ছে করে
আমাকে দুইটা
নাম বলেছেন?
- হু।
- ইসস কেন যে তোমার……মানে
আপনার ছবি
দেখলাম না। এখন কি
শনিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
কিছু দিন যাবত,,, বুকটাতে খুব
ব্যাথা
অনুভব করছি।।
--ব্যাথাটা যখন শুরু হয় নিশ্বাষটা
নিতে পারি না ঠিক ভাবে!!!
--অনেক দিন আগ থেকেই ব্যাথাটা!!
--কাউকে বলিনি,,অযথা টেনশন দিতে
ভালো লাগে না।।
--পেইন-কিলার খেয়ে খেয়ে কমিয়ে
রাখি!!!
এমনি সাধারন ব্যাথা মনে করেই ঔষধ
খেতাম
আর আমি এমনিতে নিজের ব্যাপারে
একটু
অমনোযোগী।।
--১০-১৫সেকেন্ড ব্যাথাটা থাকে!!
তারপর আস্তে
কমে আসে,, আর যখন ব্যাথা কমতো না
তখনই ঔষধ খেতাম।।
--আমার কাছে এই ব্যাথা কিছুই মনে
হয় না!!
শরীরের শক্তি আর বয়সট।। বয়সটটা
এখন
আনন্দ ফুর্তি করার!!! →আমার পরিচয়টা দিয়ে নেই!!
-আমি নিলয়!!!
-মধ্যবিও পরিবারের মা-বাবার বড়
ছেলে!!!
-এবার অনার্স ২য় বর্ষে!!!
--কাল আবার ক্যাম্পাসে যেতে হবে!!!
জরুরি
কিছু ক্লাস আছে কিছুদিন হল আর একটা অভ্যাস
করেছি সব কথা ডাইরিতে লিখে রাখি।।
--কথা গুলো যে আমি ডাইরিতে
লিখতেছি
যদি কেউ দেখে ফেলে!!!! না কেউ দেখবে
না!!!
--না,, ক্যাম্পাসে যেতে হবে দেরি
হচ্ছে!!!
ফ্রেস হয়ে নাস্তা করে,, ক্যাম্পাসে
গেলাম!!
--কিরে তুই ফোন ধরিস না কেন??
(গেইট দিয়ে না ডুকতেই নিলার প্রশ্ন)
আর কাল ক্যাম্পাসে আসলি না কেন??
--আচ্ছা বাবা দাড়া বলছি!!! কাল
শরীরটা
ভালো লাগছিলো না তাই কাল অসিনি!!!
আর ফোনটা সাইলেন্ট ছিলো!!!
((খেয়াল
করলাম নিলার মুখের চিন্তিত
ব্যাপারটা বেড়ে গেলো!!!))
--কি হইছে তোর?? (একটু চিন্তিত
কন্ঠে)
--না,, তেমন কিছু না একটু শরীর
খারাপ,,
ভালো হয়ে গেছে!!!
--কি হইছে সেটাই জিজ্ঞেস করছি??
--আরে বাবা একটু জ্বর হইছে!!!
(মিথ্যা,,, যদি বলি বুক ব্যাথা তাহলে
কি করবে কে জানে)
--ও নিলা আমার ক্লাসমেট !!
আসলে এই মেয়েটাকে আমি ভালোবাসি
তবে তার আড়ালে,,,তার সামনে তা
প্রকাশ
করি না!!! আমি এটাও জানি নিলাও
আমাকে ভালোবাসে,, কিন্তু বলছে না!!!
হয়ত ভাবছে,,, আমি কেন বুঝি না,,
আমিতো
বুঝেও কিছু বলছি না,,, কারন
বাস্তবতা।।
--বাস্তবতা মানুষের সব আশা পূরন
করে না!!
হয়ত আমারটাও হবে না,,, তাই শুধু শুধু
মায়া বাড়ানোর কি দরকার!!
--তার উপর আমি মধ্যবিও পরিবারের
ছেলে
আর নিলা বড়লোক বাবার আদরের
দুলালি!!!!
--আজ ফেব্রুয়ারির ১০ তারিখ!!!
আজ ডাক্তারের কাছে গেলাম,,,
ব্যাথাটা আগের চাইতে বেড়েছে!!!
নিশ্বাষ টা কিছুতেই বেশি নিতে পারি
না!!! নিলেই মনে হয় বুকের
ভিতরটা ফেটে যাচ্ছে!!!!
--ডাক্তারের পরিক্ষা গুলো করে
নিলাম,,,
রিপোর্ট গুলোর জন্য বসে আছি!!!
কাউকে
সাথে আনিনি!! একাই এসেছি!! কিছু
হলেও
কেউ জানবে না!!! কি দরকার বাড়তি
টেনশন
দেওয়ার!!!
--কি এমন আর হবে!!!!
--প্রায় এক ঘন্টা পর আমাকে
ডাক্তারের
কেবিনে ডাকা হলো!!!
--ডাক্তারকে দেখে কিছুটা চিন্তিত
মনে হচ্ছে!!!
--কি হলো স্যার এত চিন্তার কি আছে
বলে
ফেলুন,, আমি তৈরি আছি!!!
--শুনো বাবা পৃথিবীতে বাঁচা মরা কারো
হাতে লেখা থাকেনা বা কেউ নিজে তা
লিখে না!!! এসবই আল্লাহ প্রদও!!!
--স্যার এত না প্যেচিয়ে বলে ফেলুন!!!
--তোমার এই ব্যাথাটা কবে থেকে??
--হয়েছে অনেক দিন!!!ব্যাথাটা উঠলে
নিশ্বাষ নিতে একটু কষ্ট হয়!!!ব্যাথা
হলে
পেইন কিলার খেয়ে নিতাম!!
--কোন ডাক্তার দেখাও নি??
--না,, এমনি ব্যাথা ভেবে পেইন কিলার
খেতাম।।আচ্ছা মূলত আমার কি
হয়েছে??
--তোমার হার্টের চারটা অংশের দুটোই
কাজ করছে না,,, আর দুইটার একটা
৮০% কাজ করে,,, বাকিটা মোটামুটি
ঠিক আছে,,, অপারেশন অবশ্যই করতে
হবে!!না করলে বড় কিছু হতে পারে!!!
--অপারেশন করতে কত খরছ হতে
পারে??
--সব মিলিয়ে সাড়ে তিন থেকে চার
লাখ!!!
--আচ্ছা ঠিক আছে,,, আমি ফ্যামিলির
সাথে কথা বলব!!!আর অপারেশনের
ব্যাবস্থা
করছি!!
--যা করার তাড়াতাড়ি করবে!!
--ঠিক আছে স্যার!!
--হসপিটাল থেকে বের হলাম,,রিপোর্ট
গুলার একটা ব্যাবস্থা করতে হবে
কাউকে
দেখানো যাবে না,,,
--গেলাম ধানমন্ডি লেকে!!!কিছুক্ষন
বসলাম,, নাহ এগুলো কাউকে জানো যাবে
না!!! রিপোর্ট গুলা লেকের যেখানে
বসেছি,,, সেখানেই ফেলে রেখে চলে
এলাম!!!
--বাসায় এসে রুমে ডুকলাম,, রুমের
দরজা লাগিয়ে ডাইরিটা নিয়ে বসলাম
কি লিখবো??
--আজ আমার একটা রোগ ধরা পড়েছে,,
হার্টের রোগ যেটার চিকিৎসার খরছ
বহন করা বাবার পক্ষে অসম্ভব!!!
তাই
বাবা-মাকে কিছুই জানালাম না!!!!!
--সারাটা দিন ঘুমের মাধ্যমেই
কাটালাম!!
--সকালে উঠে ক্যাম্পাসে গেলাম,,কারন
যে কিছুদিন বেঁচে আছি নিলাকে একটু
ভালো করে দেখবো!!!
--আবার সেই একি কান্ড গেইটের মুখে
আমার জন্য দাড়িয়ে গেলেই এখন শুরু
হবে ঝাড়ি,,, আর প্রশ্নের সব ঝুড়ি!!!!
আচ্ছা
নিলাকে আজ একটু চমকে দেই কেমন
হবে
ব্যাপারটা,,??
নিলার কাছে গিয়ে নিলাকে কিছু বলতে
না দিয়ে,,,,
--এই নিলা চল!!!
--কোথায়??(আশ্চর্যের ছাপ তার মুখে
স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি)
--চলতো,, আজ ক্লাস করবো না!!!
নিলাকে নিয়ে রিক্সায় উঠে চলে এলাম
আবার লেকের ধারে!!
--আচ্ছা নিলয় তোর কি
হয়েছে,,কিছুদিন
থেকে খেয়াল করছি তুই কেমন জানি হয়ে
গেছিস!!! ঠিক মত কথা বলিস না,,,
একটু
হাঁসিস না!!! তুই আগের মত নেই!!!
--আরে আমার কি হবে,,, ভালই আছি,,,
চলছি ফিরছি,, খাচ্ছি,, ঘুমোচ্ছি,,, আর
কি!!
--আচ্ছা এটা বল আজ হঠাৎ এখানে
কেন?
--কেন নিয়ে আসতে পারি না??
--আমি কি তা বলেছি,,,,???
--না তা বলিস নি!!! কিন্তু মনে হচ্ছে
এখানে
নিয়ে এসে তোকে বিরক্ত করলাম!!!
--আমি তোকে এমন কিছু বলেছি,??
জানিস আজ না আমি অনেক খুসি হয়েছি
যখন তুই আমাকে লেকের পাড়ে নিয়ে
এলি!!
এটা আমার অনেক দিনের ইচ্ছে
ছিলো!!!
--কেন এমন ইচ্ছে হলো,??
--জানি না!!!
--হমমম!!
--নিলার সাথে দুপুর পর্যন্ত লেকের
পাড়ে
থেকে বাসায় এলাম!!!
এসে ডাইরিটা নিলাম!
(আজ নিলাকে কথাটা বলতে চেয়েছি
কিন্তু বলতে পারি নি!!!কিন্তু কেন তা
নিজেই
বুঝি না)
--আজ ফেব্রুয়ারির ১৪ তারিখ বুক
শুক্রবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
আমাদের ব্লগসমূহ
আবুল VS বল্টু দম ফাটানো হাসির জোকস আবুল সমগ্র > বল্টু সমাচার ও ভালবাসার গল্প পড়তে আসুন এখানে http://valobasargolpo420.blogspot.in/ . .
.
ইসলামি পোষ্ট পড়তে ক্লিক করুন এখানে
.
http://islamigindegi.blogspot.in/
.
না হাসলে MB ফেরত হাসির জোকস পড়তে এদিকে আসুন
http://meghlaakash786.blogspot.in/
আবুল VS বল্টু
বিদেশের এক রেস্টুরেন্ট। তিনজন
বাবুর্চি সেখানে কাজ করে। একজন
চাইনিজ, একজন জাপানিজ আরেকজন
বাংলাদেশী। তিনজনের ভিতর খুব
রেষারেষি। একদিন একটা মাছি ঢুকছে
কিচেনে। সাথে সাথে চাইনিজটা একটা
ছুরি নিয়া এগিয়ে গেলো। কিছুক্ষন
সাইসাই করে চালালো বাতাসে। মাছিটা
পরে গেলো চার টুকরা হয়ে। সে বাকি
দুইজনের দিকে তাকিয়ে বলল, ” এইভাবে
আমরা আমাদের শত্রুদের চার টুকরা
করে ফেলি।” আরেকদিন মাছি ঢুকতেই
জাপানিজটা এগিয়ে গেলো। সাইসাই করে
ছুরি চালালো। মাছি আট টুকরা হয়ে
গেলো। সে বাকি দুইজনের দিকে তাকিয়ে
বলল, ” এইভাবেই আমারা আমাদের
শত্রুদের আট টুকরা করে ফেলি”
পরেরদিন মাছি ঢুকছে একটা।
বাংলাদেশীটা এগিয়ে গেলো। বেচারা
অনেকক্ষন ছুরি চালালো। হাপিয়ে গিয়ে
এক সময় চলে এলো। বাকি দুইজন বলল,
“কি, তোমরা তোমাদের শত্রুদের কিছুই
করো না?” “হুমমমম…তোরা বুঝোস না
কিছুই। এমন
কাম করছি আর এমন জিনিষ কাইটা
দিছি যে অই মাছি আর কোনোদিন বাপ
হইতে পারবো না!
Aniq
একদিন রাতের বেলা মন্টু আর ঝন্টু
মিলে অনেকগুলো আম চুরি করলো।
কিন্তু
আমগুলা কোথায়
ভাগাভাগি করবে বুঝতে পারছিল না।
সামনেই একটা কবরস্থান ছিল। তারা
দেওয়াল টপকে কবরস্থানের ভিতর
ঢুকে পড়লো। কিন্তু দেওয়াল পার
হওয়ার
সময় দুইটা আম
ঝাঁকি খেয়ে পড়ে গেলো। তারা সেটা
তোলার সময় পেল না।
তো এক মাতাল সেই
রাস্তা দিয়া যাইতেছিল। কবরস্থানের
পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় শুনতেছে---
"একটা তোর, একটা আমার,
একটা তোর, একটা আমার।"
এই শুনে মাতাল দ্রুত হাঁটা দিল। সামনেই
এক পুলিশের
দেখা পেয়ে বলতেছে, "ভাই, কবরস্থানে
ভূত আছে। লাশ ভাগাভাগি করতাছে।
আরেকটু হইলে আমারেও খাইছিলো।
অনেক কষ্টে বাঁইচা আসছি।"
পুলিশ বলতেছে, "চলেন
দেখি কোথায়
আপনার ভূত?"
দুইজনেই কবরস্থানের
কাছে পৌছে শুনতেছে---
"একটা তোর, একটা আমার,
একটা তোর, একটা আমার।"
পুলিশ
তো ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেছে। হঠাৎই
মন্টু তা বুজে বলে উঠলো, "তাইলে
দেওয়ালের ওই পাশের দুইডারে কি
করবি?"
এই শুনে পুলিশ আর মাতাল 'চাচা আপন
প্রান বাচা' বলেই দে দৌড়.......।।
Jamiul
পাগলা
গারদে সব পাগল
নাচানাচি
করছিল..
.
শুধু একজন পাগল
বসে ছিল...
.
ডাক্টার ভাবল
সেই পাগলটা মনে
হয়
ভাল হয়ে গেছে ।
.
তাই তাকে
জিগ্গেস করা হল
সবাই
নাচছে তুমি নাচছ
না কেন?
.
উত্তরে পাগলটি
বলল...
"
"
,
"
"
"
"
"
"
"
"
"
আরে গাঁধাঁ বিয়ে
বাড়ীতে কি
জামাই
কখনো নাচে....
jokes
সাগরে নৌকা নিয়ে ঘুরতেছে আমেরিকান,
এক
পাকিস্তানী আর এক বাংলাদেশী।
হঠাৎ পানি থেকে একটা দৈত্য উঠে এল।
দৈত্য প্রচন্ড রাগী কন্ঠে বললঃ
তোরা অনুমতি ছাড়াই আমার এলাকায়
ঢুকেছিস।
এখন আমি তোদের
মেরে ফেলব!
. ওরা তো ভয়ে হাউ-মাউ
করে কাঁদতে লাগল।
ওদের কান্নায় দৈত্যের
মন কিছুটা নরম
হল। দৈত্য বললঃ ঠিক
আছে, তোদের
একটা চান্স দিচ্ছি। তোরা কোন কিছু
সাগরের পানিতে
ফেলে দিবি।
যদি আমি সেটা তুলে আনতে পারি তাহলে
তোদের মেরে ফেলব।
আর যদি না
তুলে আনতে না পারি ছেড়ে দেব।
.
আমেরিকান লোকটি
বন্দুকের একটা বুলেট পানিতে ফেলল।
দৈত্য
সাথে সাথে সাগরের
পানিতে ডুব দিয়ে সেটা তুলে আনল,আর
আমেরিকান
লোকটিকে মেরে
ফেলল।
. এবার পাকিস্তানেন
লোকটি একটা
সুই পানিতে
ফেলে দিল।দৈত্য সাথে
সাথে সাগরের
পানিতে ডুব দিয়ে সেটা
তুলে
আনল,আর
পাকিস্তানী কে
মেরে ফেলল।
.
এবার বাংলাদেশী
লোকটির
পালা।
সে ওর- স্যালাইনের প্যাকেট খুলে
সবটুকু
স্যালাইন পানিতে
ঢেলে দিল !!!
এখন ঠেলা সামলাও,বাঙ্গালি কি
জিনিস
.
১/ টিচারঃ কিরে নান্টু, এত দেরি করে
ক্লাসে এলি যে?
নান্টুঃ স্যার, আব্বা কইলো, গাভীডারে
চেয়ারম্যান- বাড়ির ষাঁড়ের কাছে
দিয়াআইতে। টিচারঃ তা, এই কাজটা
তোর বাবা করতে পারলোনা ??
.
.
.
.
..
নান্টুঃ ছি ছি ছি !!
এইডা আপনে কি কইলেন স্যার, ষাঁড়ের
কাম
কি মানুষেরে দিয়া হইবো নাকি !! (ল্যাও
ঠেলা)
লুল......
বৃহস্পতিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
— ফারাবীঃ (আবার পিছন ডাকে) নিশা
. . . তুমি কিছু বলবে . . . . ?
— নিশাঃ কৈ . . . না ,তো . . . . .
— অতঃপর সেখান থেকে তারা বিদায়
নেয় . . . . . ফারাবী ঢাকায় চলে আসে .
. . . .
— ঢাকায় আসার পর থেকে হঠৎ নিশার
নাম্বার অফ হয়ে যায় ! প্রতিদিন কম
করে হলেও ১০০শ বারের উপরে ট্রাই
করে ফারাবী . . . . কিন্তু প্রতিবারের
সেইম ভয়েস ,” sorry,the
number u have dialed,can
not be reached at the
moment,pls try again later
— ফারাবী খুব চিন্তিত হয়ে পড়ে . . .
.
— ফারাবী কিছুদিন পর জানতে পারে
নিশার হঠাৎ বিয়ে হয়ে যায় . . . . .
বিয়ের ইনভাইটেশন কার্ড আসে
ফারাবীর বাসায় . . . . ফারাবী
বেলকনির কোণায় দাড়িয়ে আছে আর
কার্ডটা পড়ে আছে তার বিছানায় . . . .
— নিশাকে অনেক ভালবাসে ফারাবী . .
. . তাই এ ভালবাসার কাউকে ভাগ দিতে
পারবেনা ফারাবী . . .
— অন্য কারো সাথে সংসার করার পর
যদি কোনো এক পড়ন্ত বিকেলে চা
খেতে-খেতে নিশার কথা ভাবে তবে তখন
সেটা প্রতারণা হত . . . .
— তাই নিজেকে প্রতারক ভাবতে
চাইনি ফারাবী . . . . . . .
— তাগড়া যুবক ফারাবী চিরকুমার
থেকে পা দেয় ৪০দশকে . . . . . আজো
নিশার মুহুর্তের স্রিতি ভুলতে পারেনি
ফারাবী . . . . .
— একদিন সন্ধ্যায় ফোনে আসে
ফারাবীর . . . . .
— ফোনটা ছিল নিশার হাসবেন্ডের
আর জানতে পারে ঠিক আজ থেকে
৩মাস আগে মারা যায় নিশা . . . . . .
— তার কিছুদিন পর নিশার হাসবেন্ড
একটা #নীল ডাইরি পাঠায় ফারাবীর
কাছে . . . . .
— নীল ডাইরির কথা গুলো পড়ে
ফারাবী কেমন জানি হয়ে যাচ্ছিল . . . .
. .
— লিখাগুলো ছিল . . . .
“ভার্সিটির প্রথম দিনেই ফারাবী আর
আমার মদ্ধে কত মিল খাতা-কলম থেকে
জামার কালার পর্যন্ত! ফারাবীর সাথে
বন্ধুত্ত হবার পর আমার সব কিছু
শেয়ার করতাম তার সাথে কারণ সে
আমার বেস্ট ফ্রেন্ড ছিল আর কেন
জানি ওর সাথেই শেয়ার করতে ভাল
লাগতো . . . . . অবশেষে #ফারাবীর
প্রতি আমার একধরণের ভাললাগ কাজ
করে,যেটা ফারাবী বুঝতে পারে কি-না
জানিনা . . . . তাকে আমি পছন্দ করি
সেই কথাটা অনেকবার বলতে চেস্টা
করি কিন্তু পারিনি। যে দিন আমাদের
শেষ meet ছিল সেদিন আমি
ফারাবীকে জড়িয়ে ধরে কেদেছিলাম
কিন্তু ফারাবীর থেকে কিছু ফিলিংস না
দেখে সে-দিন-ই আমি বুঝলাম ও আমাকে
বন্ধুর চেয়ে বেশি কিছু ভাবেনা।জোর
করে বলতে চেয়েছিলাম কিন্তু ভয় হয়
কারণ আমি ফারাবীর অবজ্ঞা সৈতে
পারবনা . . . . . অনেকদিন অপেক্ষা
করলাম কিন্তু বলা হয়নি তারপরেও . .
. .”
— #নীল ডাইরি মৃত কথা গুলো
একেকটা কথা শেল আকারে আঘাত
করছিল ফারাবী বড়-বড় চশমায় . . . .
. .
:
:
:
:
::
:
:
::
:
:
:
— আঘাতের এক পর্যায়ে #উহু করে
চিৎকার করে লাফ দিয়ে ঘুম থেকে উঠে
২৮শে নভেম্বরের সকাল 8am এ . . .
. .
:
:
:
:
::
:
:
::
:
:
:
— তার মানে এতক্ষণ যা ঘটছিল সব
স্বপ্নে . . . . ?
— ফারাবী এই স্বপ্নটার একটু-ও
বাস্তব হতে দিবেনা বলে এক দৌড়ে চলে
যায় ভার্সিটিতে . . . . .
— আর নিশাকে সব খুলে বলার পর
বলে,”আমি চাইনা আর দেরী করতে
হয়তো দেরী করলে কিছু একটা ঘটে যাবে
কাল রাতের ভয়াল স্বপ্নের মত . . i
love u নিশা। . . . (বিপুল ভয় আর
সংকোচ মোহে)
:
:
:
:
::
:
:
::
:
:
:
— আর নিশাঃ “আমিয়ো চাইনা আর
দেরী করে কিছু একটা ঘটুক . . . . . আর
সেটা চাই এখন-ই ঘটাতে . . . i love
u too বলে জড়িয়ে ধরে ফারাবীকে . .
. . .”
:
:
:
:
::
:
:
::
:
:
:
— অবশেষে ফারাবী তখন নিশার হাতে
দেখতে পায় গত রাতের মৃত কথার
বাহক নীল ডাইরিটা কিন্তু মোটেই
চিন্তিতনা ফারাবী কারণ ডাইরির
কথার উৎস এখন তার কাছে জীবিত
ভালবাসার নীলপাখি
“তুমি চাকু মারবে কেন? তারচেয়ে বড়
কথা, তোমার সাথে ওটা থাকবেই বা
কেন?” রাগে-দুঃখে-ক্ষোভে টকটকে
লাল হয়ে উঠলো সীমার ফর্সা মুখটা।
সব হারানোর দৃষ্টি ওর চোখে। গলা
বেয়ে উঠে আসা কান্নাটা গিলে ফেললো
কোনরকমে। “ভেবেছিলাম তোমাকে
ভালো করতে পারব। ভালোবাসা দিয়ে
গড়ে তুলতে পারবো নিজের মত করে।
আসলে তুমি তা হবার নও। পশু কোন
দিন মানুষ হয় না।”
.
মহল্লার বখাটে ছেলেপেলেদের লিডার
বলা চলে আরিফ কে। সারাদিন বাইক
নিয়ে টই টই করে ঘুরে বেড়ানো আর
বাজে ছেলেদের সাথে বসে তাস পিটানো
নিত্য দিনের কর্ম। সিগারেটের ধুঁয়া না
হলে তাস খেলাটা ঠিক জমে না। ওটাও
চলে বেশুমার। ইদানিং সিগারেটের সাথে
গাঁজা টানতেও শিখে গেছিল। মাস চারেক
আগে সীমার সাথে পরিচয়। ফেসবুকে।
বলাই বাহুল্য ফেসবুকের আরিফ আর
বাস্তবের আরিফে আকাশ পাতাল
তফাৎ। স্বভাব যাই হোক চেহারা সুরত
মাশাল্লাহ। কিভাবে কিভাবে জানি
প্রেমটা হয়েই গেলো সীমার সাথে।
প্রথমে কিছু টের পায়নি সীমা, সময়ের
সাথে সাথে সব কিছুই জানতে পারে।
ততদিনে সীমার মনে খুব ভালোভাবেই
জায়গা করে নিতে পেরেছে সে। মেনে
নিয়েছিলো। ভেবেছিলো শুধরাতে পারবে
আরিফকে। আরিফও বদলাতে শুরু
করেছিলো। মহিলা কলেজের সামনে থেকে
কমে আসতে লাগলো ওর উপস্থিতি।
মেয়ে দেখলেই বাজে মন্তব্য করার
স্বভাবটা পুরোপুরিই ছেড়ে দিতে
পেরেছে। তাসের আড্ডাতেও আজকাল
দেখা যেত না। তবে বাইকটা ছাড়তে
পারে নি। ওটা ছাড়ার প্রয়োজনও
পরেনি। মাঝে মাঝেই সীমাকে বাইকের
পিছনে বসিয়ে হারিয়ে যেতে চাইতো দূর
অজানায়। সময়টা বড্ড বেশি সুখের
কাটছিলো। বিকেলে প্রায়ই পার্কে
বেড়াতো দুজন। এমনই কোন এক
বিকেলে পার্কের রাস্তায় হাতে হাত
রেখে হাটতে হাটতে সুখস্বপ্নের জাল
বুনছিলো ওরা। “ছোট্ট একটা বাড়ি,
সামনে এক চিলতে লন। সেখানে ছোট
ছোট পায়ে ফুটবল খেলছে দুটি বাচ্চা।
না, দুটি না, চার-পাঁচটি।” এই নিয়েই
তর্ক বেঁধে গেল। সীমা বলছে দুটো
বাচ্চা, একটি ছেলে আর একটি মেয়ে
কিন্তু আরিফের চাই আরো অনেক
বেশি। অন্তত আট দশটি। একটা
ফুটবল টিমই যদি করা না গেল তাহলে
আর কিসের সংসার!
.
দোস্তরে এক্কেরে খাসা মাল। ইচ্ছা
করতাছে এইখানেই বাচ্চা হওনের কামডা
সাইরা ফেলি। ইশশ একবার যদি
পাইতামরে... আড়ষ্ঠ হয়ে গেলো সীমা।
বরফের মত জমে গেছে যেন। পিছন
থেকে ভেসে এসেছে শব্দগুলো। অনেকখন
ধরেই ওদের পিছু পিছু আসছিলো ছেলে
দুটো। আরিফও শুনতে পেয়েছে। পেছন
ফিরে দেখতে পেলো হাত ছোঁয়া দুরত্বেই
রয়েছে ওরা। এর পর আর কিছু মনে নেই
ওর। দিগ্বিদিক জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে।
চাকুটা বের করেই সামনের দিকে
চালালো। কোথায়, কার গায়ে, কিভাবে
লেগেছে? কিচ্ছু জানে না ও। কিচ্ছু না।
কিছুটা ধাতস্থ হয়েই নিজেকে
আবিষ্কার করে হাতকড়া পরা
অবস্থায়। পার্কের পাশেই টহল দিচ্ছিল
দুজন পুলিশ।
.
আরিফের সাথে দেখা করতে এসেছে
সীমা। জেলখানায়। বহুকষ্টে এতক্ষন
কান্নাটা আটকে রেখেছিল। কথাগুলো
বলেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়লো। চোখের
পানি মুছে দেবার জন্য গরাদের ফাক
দিয়ে হাত বাড়াল আরিফ। পিছন থেকে
হ্যাচকা টানে আরিফকে সরিয়ে আনলো
গার্ড। ভিজিটিং আওয়ার শেষ। একবার
শুধু চোখ তুলে চাইলো সীমা। না, কান্না
থামেনি এখনো। আরিফের সাধ্য নেই এ
কান্না থামানোর।
love for all part 2
I want to tell you that I will hear all your stories, wipe your tears, take care of your heart and I will love you and live with you all my life.
There is not a single night, without a dream of you. I dream of you day and night, Monday to Sunday, eyes open, eyes close, every moment and every instant, I just dream to have you in my life.
This day is as special as you are. I want to tell you that there is something magical about you. When you are here with me I feel strong, happy and lucky. Thanks for being in my life.
Be in love with me and make my life heaven. You are the only essential part of my life. So don’t even think about leaving me alone. I am nothing without you.
Whenever I look up to the sky full of shinning stars, only thought comes to my mind is YOU.
The best thing happens to me in my whole life is LOVE. Loving you is my passion and spending my life with you is my dream. Please let my dream come true.
I want to remember each and every moment we have spent together. They are like beautiful dreams I ever have.
In bad and sad moments, just remember that I LOVE YOU.
You are my first thought in morning and last thought before sleep. You are my love in life and after life.
My love would never fade or change, even if you forget the promises. Whenever you look back I’ll be there for you.
I love you like words in silence, like a speech of air, like a songs of lake, like sweetness of cake.
My true story is that I don’t have a heart any more. Please check inside yourself, I believe that you have two.
Your shoulder is my favorite place to cry on. Your heart is my favorite place to live in and your arms are my favorite place to fall.
কিছু ভালবাসার গল্প
দ্বিতীয় জন্ম
না। গাছ-টাছ আমি খুব একটা চিনি না।
টিনশেড বাড়িগুলোর সামনে একপাল
বাচ্চা সারাদিন হইহুল্লোড় করে খেলে
বেড়ায়। বেশ লাগে দেখতে।
.
আপনারা ভাবতে পারেন, আমি
কাজকর্ম বাদ দিয়ে সারাদিন জানালা
দিয়ে এসব দৃশ্য অবলোকন করি।
আসলেও তাই। আমার তেমন কাজকর্ম
নেই কোনো। জানালার সামনে একটা
চেয়ার আছে, দুলুনি চেয়ার। আমি
সারাদিন চেয়ারে বসে দূরবীন দিয়ে
জানালার বাইরের দৃশ্য দেখি। দূরবীনটা
আমার ছোটমামা পাঠিয়েছিলেন বিদেশ
থেকে, একটা হান্টার বাইনোকুলার।
কোন বিদেশ? কি জানি, মনে পড়ছেনা।
ইদানীং কিছু মনেও রাখতে পারিনা ছাই।
সে যাক, আমি করি কি, চেয়ারটাকে
জানালামুখো করে বসি, দূরবীনটা চোখে
লাগাই, আর মানুষজন দেখি। কত্ত
রকম মানুষ! ডানদিকের গাছটা ঘেষে যে
বাড়িটা, সেটার দোতলায় এক বুড়ি
থাকেন। সারাদিন ছোট্ট নাতিটার পিছে
পিছে দৌড়ান। নাতিটা গুটগুট করে
দৌড়ায়, বুড়িটা থপথপ করে দৌড়ায়।
হিহি! চারতলায় থাকে একটা আস্ত
পরিবার- ছেলেটা সন্ধ্যা হলে হাঁটাহাটি
করে পড়া মুখস্ত করে, মাঝে মাঝে তার
মা এসে চিল্লাচিল্লি করেন।
চিল্লাচিল্লির শব্দ তো আর শোনা যায়
না, আমি শুধু দূরবীন দিয়ে তাঁর হাত পা
নাড়ানো দেখি।! মজা লাগে খুব।
.
সোজা নাক বরাবর সাদা বাড়িটায়
অনেক মজার মজার মানুষ থাকে
জানেন। দোতলায় একটা দুরন্ত
বাচ্চাছেলে আছে, সারাদ্দিন গ্রিলে ঝুলে
টারজানের মত। তিনতলায় থাকেন
দুইজন বৃদ্ধ-বৃদ্ধা। খুব নিরীহ, একাকী
জীবন কাটান দুজন। বুড়োটাও আমার
মত, সারাদিন জানালার পাশে বসে
থাকেন। বইপত্র পড়েন। চারতলায়
একটা নবদম্পতির বসবাস, আমি
সেদিকে বেশী তাকাই না। আর তার
উপরের তলায় থাকে...... কে থাকে
জানেন? হুম হুম। একজন থাকে। বিশেষ
একজন। ওর নাম? দাড়ান বলছি। একটা
ইতিহাস আছে এটার পিছনে। বলি
তাহলে।
.
এই সাদা বাড়িটার পাঁচতলায় নতুন
ভাড়াটিয়া এসেছে সেদিন। আগের
পরিবার চলে যাওয়ার পর দিন সাতেক
ফাঁকা ছিল। সেদিন আমি দূরবীন দিয়ে
দেখলাম মানুষজন ঝাড়াপোঁছা করছে
ঘরটা, তাই বুঝলাম। খুশি হলাম, নতুন
নতুন মানুষ আসবে। তো তার পরের
দিনের কথা, সন্ধ্যাবেলা।
সন্ধ্যাবেলাটায় আমি বসে বসে কফি
খাই, আর গ্রিলে মুখ রেখে, চোখে
দূরবীন দিয়ে আকাশের তারা দেখি।
তারা দেখতে দারুণ লাগে জানেন! আমি
তারা চিনিও কয়েকটা। সে যাই হোক,
আকাশ থেকে ঘুরতে ঘুরতে হঠাৎ
দূরবীনের ভিউটা থমকে যায় সাদা
বাড়িটার পাঁচতলায়। কি দেখলাম
বলেনতো? হিহি ঠিক। আমি সেই প্রথম
দেখলাম মেয়েটাকে।
.
জানালায় হেলান দিয়ে, কোলে ল্যাপটপ
রেখে ফেসবুকিং করছিল মেয়েটা।
কিভাবে বুঝলাম ফেসবুক চালাচ্ছিল?
আমার দূরবীনটা অনেক শক্তিশালী,
হান্টার দূরবীন বলে কথা! অনায়াসে
কয়েকগুণ জুম করে আমি পরিষ্কার
ল্যাপটপের স্ক্রিনটা দেখতে পেলাম।
কাজটা খারাপ করেছি? তা বটে।
মানুষের উপর নজরদারী বাজে কাজ,
আমিও লজ্জা পাই। তবুও করি। আমার
আর কোনো কাজ নেই যে!
.
যেটা বলছিলাম। ওর ল্যাপটপের
স্ক্রিনে দেখলাম, ওর আইডির নাম
মিমি। পুরো নাম কি কে জানে! খুব
মনোযোগ দিয়ে একটা লেখা পড়ছিল।
আমার অবাক হয়ে তাকিয়ে ছিলাম
মেয়েটার দিকে। পেছন ফিরে ছিল বলে
মুখ দেখা যাচ্ছিল না, একরাশ লালচে
চুল... হ্যাঁ লাল লালই লাগলো... ঢেকে
রেখেছিল মুখটা অনেকটা। কতক্ষণ
দেখছিলাম জানি না। হঠাৎ ল্যাপটপটা
কোল থেকে নামিয়ে রাখলো মেয়েটা, দৌড়
দিয়ে ভিতরে চলে গেল। কেউ ডেকেছে
বোধহয় ভেতর থেকে। একনজর দেখতে
পেলাম ওকে, দেখেই আমার হাত দুর্বল
লাগা শুরু হল। আহা! আমার এই একলা
জীবনে তুমি কে এলে গো হরিণী!
.
একটা বুদ্ধি আসলো মাথায়। অনেকদিন
পর টেবিলের ড্রয়ার থেকে খুঁজে খুঁজে
আমার ফোনটা বের করলাম। কতদিন
বন্ধ ছিল প্রিয় ফোনটা! চুপিচুপি
খুকিকে ডাকলাম দরজা দিয়ে। খুকি
দরজা অল্প ফাঁক করে উঁকি দিল।
-ডাকিস ক্যানো দাদা?
-একটা কাজ করে দিবি খুকি?
-বল।
-আমার ফোনে কটা টাকা পাঠা না! খুব
দরকার।
-ফোনে টাকা! কাকে ফোন করবে?
বাবার ফোন দিয়ে করো...
আমার ছোট বোন অবাক!
-না রে। দে না প্লিজ! মাত্র বিশ টাকা
হলেই হবে।
-আচ্ছা। স্কুলে যাবার সময় মালেক
চাচাকে বলে রাখবো।
.
আমি বহুউউ বহুউউ দিন পর আমার
আইডিটায় লগ ইন করলাম। বহুদিন
মানে? বছর দেড়েক হবে। ভাগ্যিস
আমার ডায়েরিটায় ইমেইল-পাসওয়ার্ড
সব লিখে রেখেছিলাম, নয়তো সব ভুলে
গেছিলাম!
.
কতদিন পর ফোনের স্ক্রিনে নীল সাদা
সাইটটা দেখলাম! ওইতো আমার ছবিটা।
ভার্সিটির বৈশাখী মেলায় তোলা। এইটা
আমি? এত সুন্দর ছিলাম? বাহ! ছবিটা
কে তুলেছিল? কি জানি। মনে পড়ে না।
কোনো বন্ধুই হবে। আজকাল কোনো
বন্ধুকেই তেমন মনে পড়ে না। আমি
অবাক চোখে স্ক্রল করতে লাগলাম
আমার টাইমলাইনে। কি সুন্দর একেকটা
গুচ্ছ কবিতা! আমার লেখা এগুলা? মনে
হয়। আচ্ছা, আমি এখন কেন ওরকম
লিখতে পারিনা? কিছু ভাবতে গেলেই তো
গুলিয়ে যায় কেমন জানি! কেমন যেন
হয়ে গেলাম! আগের মত কবিতা আসে
না, গানও কতিন গাই না! খালি মাথা
গরম হয়ে যায় ভাবতে গেলে...
.
এই যা। যেটার জন্য ফেসবুকে আসা
সেটাই করিনি এখনও। মিমিকে খুঁজতে
হবে। মিমি প্রিয়ন্তিনী। নামটা ইউনিক,
একটু খোঁজাখুঁজির পরেই পেয়ে গেলাম।
দিব রিকোয়েস্ট? আমার হাত কাঁপতে
লাগলো। যদি এক্সেপ্ট না করে?
অপমান করে? দ্বিধাদ্বন্দ্বে হাবুডূবু
খেতে খেতে পাঠিয়ে দিলাম।
সারাদিন আমি ওর ঘরের জানালাটায়
চোখ সাঁটিয়ে বসে থাকতাম। ও মনে হয়
সারাদিন ভার্সিটি শেষে বিকালে
ফিরতো, আমার মনে হয় আরকি। ওর
ঘরের জানালায় এখন পর্দা টানানো।
এজন্য ওকে দেখাই যায়না বলতে গেলে।
কি যে খারাপ লাগে আমার! মাঝে মাঝে
দুপুরের দিকে একটা মন খারাপ করা
দমকা হাওয়া আসতো, তখন হুশ করে
পর্দাটা উড়ে যেত, আর কয়েক
সেকেন্ডের জন্য মিমিকে দেখতে পেতাম
আমি। হয় মনোযোগ দিয়ে বই পড়ছে,
নয়তো ফোনে মুখ গুজে আছে। ওদের
বাসায় তেমন আর কেউ নেই মনে হয়।
ওর মা কে দেখেছি একদিন, গোলগাল
ভালমানুষ টাইপ মহিলা।
আমাকে খারাপ ছেলে মনে হচ্ছে, না?
আমি দূরবীন দিয়ে একজন মেয়ের ঘরে
তাকিয়ে থাকি? বিশ্বাস করুন, আমি খুব
বন্ধুহীন একটা জীবন কাটাই।
ফেসবুকে প্রেম তারপর. . .
খুব ইচ্ছে করছিল ওকে জানালা
দিয়ে দেখি, কিন্তু বেরসিক পর্দাটা যেন
ব্যঙ্গের হাসি হেসে হেসে দুলছিল
আমাদের মাঝখানে!
.
আমরা টুকটাক কথা চালাতাম। অনেক
দিন ধরে মা-বাবা-খুকু ছাড়া কোনো
বাইরের মানুষের সাথে কথা বলি না
আমি। মানুষ খুব ভয় পাই। তবুও মিমির
সাথে কিভাবে যেন সহজ হয়ে গেলাম!
এটা ওটা জিজ্ঞেস করতাম, কিন্তু
কখনো আমার নিজের ব্যাপারে কিছু
বলতাম না। এটাও বলতাম না, আমি
ওকে দেখি জানালা দিয়ে। শুধু সাধারণ
কথা চালাতাম। আগের মত জানালায়
বসে থাকিনা এখন। টাকা শেষ হয়ে গেলে
মালেক চাচাকে দিয়ে রিচার্জ করাই।
আর পাগলের মত স্ক্রিনের দিকে
তাকিয়ে থাকি- কখন মিমির রিপ্লাই
আসবে।
.
একদিন মিমি বললো,
-আপনি আর কবিতা-টবিতা লেখেন না
কেন এখন? আগে দেখতাম সুন্দর
কবিতা লিখতেন।
আমি ভ্যাবাচকা খেয়ে গেলাম। তাই তো!
এখন তো আমার মাথায় আর কবিতা
আসে না। আমি মানুষের নামই মনে
রাখতে পারিনা ঠিকমত। কি বলবো না
ভেবে পেয়ে বললাম,
-কবিতা লিখা হয় না আর।
ও বললো,
-কেন হয়না? লিখবেন। দুই-চার লাইনের
অসাধারণ কবিতাগুলি! আপনার
টাইমলাইনে দেখলাম। চমৎকার লিখতেন
তো আপনি।
লিখবো? কিভাবে লিখবো? কিছুই তো
মাথায় আসেনা। আচ্ছা, আগে কিভাবে
লিখতাম? আগের কথা তো মনেও পড়ে
না সেভাবে। তবুও, মিমি যখন বলেছে,
একটা চেষ্টা দিয়ে দেখতে ক্ষতি কি!
.
আগের স্ট্যাটাসগুলা চেক করতে
লাগলাম আমি। আহারে! কি সুন্দর সব
কবিতাগুলি! চোখ জল এসে গেল আমার।
খুব ঝাপসা মনে পড়ে দিনগুলা। একটু
একটু করে মনে করি... দুইটা
অন্ত্যমিল, চারটা লাইন, একটা মেসেজ
থাকতো মাঝে মাঝে...
দূর! মাথা গরম হয়ে যাচ্ছে। শীতের
মধ্যেও ফ্যান ছেড়ে দিয়ে বসে থাকি।
.
আরেকদিন মিমি বলে,
-আমার একটা ফটোর ক্যাপশনের জন্য
চারটা লাইন লিখে দেবেন?
আমি হাসবো না কাঁদবো! বললাম,
-ক্যাপশনে মানুষ বড় বড় কবিদের
লাইন দেয়। রবি-সুনীল-জীবনানন্দ...
-আমার আপনারটাই লাগবে।
বাপরে! একেবারে স্ট্রেটকাট দাবি!
ছবিটা দেখলাম। দেখার পরেই কি মনে
হল, টুকটুক করে টাইপ করে ফেললাম
লাইনগুলি,
“এলোকেশী, এলোকেশী, মেঘের দেশে
থাকো,
এলোকেশী, বর্ষা এলে কোথায় তারে
রাখো?”
লিখে আমিই অবাক! আমি পারলাম!
ঠিক ঠিক দু লাইন লিখে ফেললাম!
মিমির ছবির ক্যাপশন ক্রেডিটে আমার
নাম চলে গেল। কেউ তেমন একটা গা
করলো না, চিনলোও না নামটা। দেড়
বছর অনেক সময়। ঋজু ভট্টাচার্যের
নাম কেউ মনে রাখেনি। মানুষ বড়
ভুলোমনা জীব।
.
মিমি প্রায়ই জিজ্ঞেস করতো,
প্রোফাইল পিকচার কেন চেঞ্জ করিনা।
আমি সদুত্তর দিতে পারতাম না। যে
ছবিটা এখন আছে, সেটা মাঝে মাঝে
দেখি। স্ক্রিনে আঙ্গুল বুলাই।
রাজপুত্রের মতো একটা ছেলে। খুব
সাবধানে থাকতাম, যাতে মিমি আমার
এখনকার অবস্থা না জানতে পারে। ওর
বাসা যে আমার বাসার উল্টোদিকে,
সেটাও আজ পর্যন্ত জানাইনি ওকে।
মাঝে মাঝে দুপুরের সেই দুঃখী বাতাসে
পর্দাটা সরে যায়, আর আমি এক চিলতে
মিমিকে দেখতে পাই।
.
আমার কোনো বন্ধুর সাথে আমার
যোগাযোগ না থাকলেও, একটা বন্ধু
আমাকে নিয়মিত দেখতে আসতো।
সামির। গ্যাদাকালের বন্ধু। মাসে
একবার বাসায় আসবেই ও। ঘরে ঢুকেই
মাকে সালাম দিবে, খুকুর ঝুটি ধরে একটা
টান দিবে, আর মায়ের বানানো নুডুলস
খেয়ে আমার ঘরে চলে আসবে। আমি
আগেই বলেছি, মা-বাবা-খুকু ছাড়া
বাইরের কারো সাথে কথা বলি না এখন।
সামির ব্যতিক্রম। একমাত্র বন্ধু
বয়লতে এখন ওই আছে। ছেলেটা বকবক
করতে থাকে। আমি চুপচাপ শুনি। সামির
ভার্সিটির গল্প করে, খেলার গল্প করে,
নতুন মুভির গল্প করে। মাঝে মাঝে
আমাকে বেড়াতে নিয়ে যায়। সামির
ছাড়া কারো সাথে বের হতে দেয়না মা
আমাকে। ওর সাথে আমি আমাদের
বাড়ির সামনে লেকটার পাড়ে ঘুরি। মাঝে
মাঝে সন্ধ্যা পর্যন্ত লেকের পাড়ে বসে
থাকি। তারপর আমাকে বাসায় দিয়ে
সামির চলে যায়। তারপর আমি আবার
জানালায় বসি দূরবীন নিয়ে। না হয়
মিমির সাথে কথা বলি। জীবনটা আগের
চেয়ে খারাপ কাটছে না।
.
কিন্তু সুখ জিনিসটা হল ভোলাটাইল।
উদ্বায়ী। খুব স্বল্পক্ষণ থাকে।
আমারও তাই হল। অপ্রত্যাশিত
ঘটনাটা ঘটে গেল সেদিন।
.
সামিরের সাথে লেকের পাড়ে বসে ছিলাম
সেদিন বিকালে। বিকাল হলেই অনেক
মানুষ বসে এখানে, ঘুরতেও আসে। পাশে
মানুষ হাটার রাস্তা। সামিরের পাশে বসে
থাকতে থাকতেই আমি আচমকা খেয়াল
করলাম, মিমি আসছে! সাথে ওর দুজন
বন্ধু। হাঁটতে হাঁটতে আমাদের দিকেই
আসছে। ডুবন্ত সূর্যের আলোয়
দেখলাম, আসলেই অসাধারণ মেয়েটা।
হঠাৎ দেখি সামির বলে উঠলো,
-আরে, মিমি নাকি এইটা!
আমি অবাক।
-তুই মিমিকে চিনিস?
-আলবাত! অনেক দিনের চেনা!
বলে লাফ দিয়ে উঠলো। মিমির সাথে
কথা বলবে।
আমার তো গলা শুকিয়ে গেল ভয়ে। ও
যদি আমাকে পরিচয় করিয়ে দেয়? মিমি
আমাকে এই অবস্থায় দেখবে? হায়
ঈশ্বর! ঠিক ঠিক তাই হলো। সামির
আমাকে দেখিয়ে মিমিকে বললো,
“ও আমার বেস্ট ফ্রেন্ড, ঋজু। ঋজু,
ওকে মনে হয় চিনিস, ও মিমি। থার্ড
ইয়ারে পড়ে এখন......”
ওদিকে মিমি একদৃষ্টিতে চেয়ে আছে
আমার দিকে। চিনতে কষ্ট হচ্ছে
বোধহয়। স্বাভাবিক। ফেসবুকের ছবির
ঋজুর সাথে এই ঋজুর অনেক তফাত।
আমি অসহায়ের মত দাঁড়িয়ে আছি।
অস্ফুট স্বরে ও জিজ্ঞেস করলো,
-আপনিই...ঋজু ভট্টাচার্য?
অনেক কষ্টে মাথা নাড়লাম আমি।
শুনলাম সামির ওকে বলছে, “ঋজু আসলে
গত বছর একটা দুর্ঘটনায় পড়েছিল...”
আমি আস্তে করে হাঁটতে হাঁটতে বাসায়
চলে এলাম। খুব দুর্বল লাগছে।
.
কিছুক্ষণ পর মিমির মেসেজ এলো।
পড়লাম।
“আপনি একজন অসুস্থ, মানসিক
রোগী? আমি এতদিন একজন মানসিক
রোগীর সাথে প্রতিদিন কথা বলতাম?
আর আপনি দেড় বছর আগের সুন্দর
চেহারার ছবি ঝুলিয়ে রখেছেন? বাহ!
ড্যাম ফ্রড ইউ আর! কবিতাগুলিও
নিশ্চয়ই আগের লেখা? চমৎকার
করেছেন। আপনি কোনোদিন আর
আমাকে মেসেজ দিবেন না। নেভার।“
মেসেজটা পড়ার পর মনে হয় আমি মূর্ছা
গিয়েছিলাম, খেয়াল নেই।
.
হ্যাঁ আমি মানসিক রোগী। অসুস্থ। ঠিক
দেড় বছর আগে, বান্দরবানের এক
বিপজ্জনক রাস্তায় আমিসহ কয়েকজন
যাত্রীর জিপ খাদে পড়ে যায়।
মারাত্নক সেই দুর্ঘটনা সারভাইব
করলেও আমি মাথায় চোট পাই প্
বুধবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
না দেখলে আমার কি. . . জিপি সিমে ২০ MB নিন একদম ফ্রি
না দেখলে আমার কি. . .
জিপি সিমে ২০ MB নিন একদম . ফ্রি
মেয়াদ ২ দিন
.
সর্বোচ্চ একবার নিতে পারবেন
just dial
.
*5000*168#
মঙ্গলবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
অস্থির একটা জোকস
.
.
এক মাতাল বন্ধুদের সাথে পিকনিক
করার জন্য নিজের বাড়ি থেকেই ছাগল
চুরি করল।
রাত ভর খুব আনন্দ করল।খুব মজা
করে খাওয়া দাওয়া। সকালে যখন
বাড়িতে ফিরল দেখল হায় হায় ছাগলতো
বাড়িতেই। বউকে জিজ্ঞাসা করলঃ"
ওই, ছাগল আইলো কই থিকা ??"
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
বউঃ " আরে রাখ তোমার ছাগল। আগে
কও, কালরাইতে তুমি চোরের মত
আমাদের কুত্তাডারে লইয়া কই
গেছিলা ??
19 minutes ago
Mahiuddin Aniq
না হাসলে লাইক
ফেরত..
ডাকাত
সরদারঃ এই তোর
কাছে কি আছে বাইর
কর..
মফিজ মিয়াঃ ভাই
আমার
কাছে কিছু নাই,
আমি গরিব মানুষ,
ভাই
আমারে ছাইড়া দেন...
ডাকাত
সরদারঃ এই ওর
কাছে কি আছে দেখতো,
হালায়
এমতে এমতে দিবনা চাক্কু মারা
লাগবো..
ওস্তাদ হালার
কাছে দি কিচ্ছু
নাই , লুংগি আর
শার্ট ছাড়া..
ডাকাত
সরদারঃ ধুর্ররর
হালায় দি পুরাই
ফহিন্নি,
ছাইড়া দে ফহিন্নির
পুতেরে..
মফিজ
মিয়া কতদূর
যাওয়ার পর
ডাকাত সরদার
তাকে আবার ডাক
দিল....
ডাকাত
সরদারঃ ওই,
হালার
লুংগি খুইল্লা একটা বাল ছিঁড় দি...
ওস্তাদ বাল
দিয়া কি অইবো....?
ডাকাত
সরদারঃ হালায়
যেন
বাড়িতে যাইয়া কইতে না পারে, ""সেদিন
ডাকাইতে ধরছিল
আমারে,
একটা বালও
ছিঁড়তে পারেনাই
16 minutes ago
Mahiuddin Aniq
«চরম জোক্স».
মফিজ গেছে ডাক্তারের কাছে.তো
মফিজ
লাইনে দাড়িয়ে আছে। কিছুক্ষন পর
একটা
লোক কাদতে কাদতে ডাক্তারের
চেম্বার
থেকে বের হলে।.মফিজ:কি ব্যাপার
কাদেন কেন।রোগী:কাদি নিজের দুঃখে
কেন
যে এই ডাক্তারের কাছে এসেছিলাম।
মফিজ:কেন
কি হইছে।রোগী:আসছিলাম রক্ত
পরীক্ষা
করতে সালার হারামী ডাক্তার আমার
একটা আঙ্গুল ই
কেটে নিছে।.এই কথা শুনে মফিজ দিছে
দৌড়।.এখন ঐ লোকটা বলছে কি
ব্যাপার
কই
যান।.মফিজ.........,.আসছিলাম পেশাব
পরীক্ষা
>
>
>
>
করতে। এখানে পরীক্ষা করব না।
হালায়
ডাক্তার যদি
আমার ঐটা কেটে নেয়।.মফিজ রে কেউ
মাইরালা।"...
12 minutes ago
Mahiuddin Aniq
বিশ্বে বিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা সভায়:
-------////------
রাশিয়া : আমরা প্রথম মহাকাশে
গিয়েছি।
আমেরিকা: আমরা প্রথম চাঁদে মানুষ
পাঠিয়েছি।
বাংলাদেশ: আমরা প্রথম সূর্যে্ গিয়েছি।
রাশিয়া আমেরিকা একসঙ্গে বলে উঠল :
সূর্যের কাছে গেলে গরমে গলে যাবি।
বাংলাদেশ: আমরা দিনের গরমে যাই না।
রাতে গিয়ে রাতেই ফিরে আসি।
১।:-তিন ব্যক্তি ট্রেন ভ্রমনে গেছে।
তারা ট্রেনে ওঠার পূর্বেই হটাত্ ট্রেন
ছেড়ে দিল। তারা দৌড়ে ট্রেনে ওঠার
চেষ্টা করায় ট্রেনের কয়েকজন যাত্রি
হাত দিয়ে দুজনকে তুলে নিল। একজন
ট্রেনে উঠতে ব্যর্থ হল। দুজনে এক
সিটে মন খারাপ করে বসে আছে।
একজন তাদের জিজ্ঞেস করল "ভাই
আপনারাতো ট্রেনে উঠতে পেরেছেন, মন
খারাপ কেন ?" তারা উত্তর দিল
:- ভাই যে ট্রেন ভ্রমনে যাবে সেইতো
নিচে, আমরা দুজনে তাকে ট্রেনে তুলে
দিতে এসেছি।
২।:- এক জাহাজে অনেক যাত্রি যাচ্ছিল।
হটাত্ জাহাজ থেকে একটি ছোট বাচ্চা
সমুদ্রে পড়ে গেলো । যাত্রিদের কেউ
সাহস করলোনা বাচ্চাটাকে উদ্ধার
করতে কারন সমুদ্রে ডুবে জাওয়া
ছাড়াও বিভিন্ন হিংস্র জন্তুর ভয়
ছিলো । হঠাত্ এক বৃদ্ধা মহিলা পানিতে
লাফ দিল এবং বাচ্চাটাকে পানি থেকে
তুলে আনল । সকলে অবাক হয়ে বৃদ্ধার
প্রসংসা করছে যে বৃদ্ধা নিজের জীবন
বাজী রেখে শিশুটার প্রাণ বাচালো ।
সেখানে একটি শোরগোল পড়েগেলো ।
অবশেষে বৃদ্ধা সবাইকে উদ্দেশ্য করে
বলল :-
সবই তো বুঝলাম, কিন্তু আমায় ঢাক্কা
দিলো কে ...?
৩।:- এক ক্রেতা এক ফল বিক্রেতার
কাছে গিয়ে আপেল দেখিয়ে বলল এক
কেজি আপেল দেন আর প্রতিটি আপেল
ভিন্ন ভিন্ন ঠোসে দেন। বিক্রেতা তাই
করল। এবার কমলা দেখিয়ে বলল এক
কেজি কমলা দেন আর প্রতিটি কমলা
ভিন্ন ঠোসে। বিক্রেতা এবারো তাই
করলো । এবার একইভাবে এক কেজি
পেয়ারা দিতে বলল । বিক্রেতা এবারো
তাই করল । এবার ক্রেতা আঙ্গুর
ফলের দিকে নজর দিতেই বিক্রেতা
সেগুলি সরিয়ে পেছন দিকে রেখে বলল
"ভাই আমি আঙ্গুর ফল বিক্রি করিনা
।"
৪।:- এবার পুলিশ এশে বল্টুকে বলল
"আপনার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে কারন
আপনার ঘরে নকল টাকা তৈরির যন্ত্র
পাওয়া গেছে।
বল্টু:- যন্ত্র পাওয়াগেলে কী হবে,
নকল টাকা তো পাওয়া যায়নি? পুলিশ:-
মামলার জন্য যন্ত্রই যথেস্ট। বল্টু:-
আপনাদের উপর ধর্ষনের মামলা করব।
পুলিশ:- কেন?
বল্টু:- কারন আপনাদের কাছে ধর্ষনের
যন্ত্র আছে।
৫।:- সার ক্লাসে ব্যকরন পড়াচ্ছে
ওদিকে বল্টুর দৃষ্টি বেঞ্চের নিচে,
একটি ইদুর গর্তে ওঠানামা করছে তার
প্রতি। সার কিছুক্ষন ব্যকরন বুঝিয়ে
বল্টুকে জিজ্ঞেস করল।
সার:- বল্টু মাথায় কিছু ঢুকলো। বল্টু:-
মাথা ঢুকেছে কিন্তু লেজ টুকু বের হয়ে
আছে।
৬।:- এক বুড়ো মুরব্বীর ঘরে চোর ঢুকে
দেখল যে মুরব্বী ঘুমিয়ে আছে। চোর এই
সুজোগে সারা বাড়ি তন্ন তন্ন করে
খুজলো যে কী চুরি করা যায়? কিন্তু
চোরটি চুরি করার মত কোনো কিছু
পেলনা। বেচারা চোর মনের দুঃখে দরজা
খোলা রেখে চলে যেতে লাগলো। তখন
শুয়েথাকা মুরব্বী চোরকে উদ্দেশ্য করে
বলল ~ এই ব্যটা দরজাটা বন্ধ করে যা
। চোর বলল ~ আপনার দরজা খোলা
থাকলেও কোনো সমস্যা নেয় । ৭।:- এক
জাপানি এক বাংলাদেশী আর এক
আমেরিকান তিন বন্ধু একত্রে গল্প
করছে। তারা নিজ দেশের ডাক্তারের
অতিরিক্ত প্রশংসা করছে।
আমেরিকান:- আমাদের দেশে এক
ব্যত্তির এক্সিডেন্টে লাড়ি ভুড়ি সব
ছিড়ে গেছে। ডাক্তার এসে বানরের
চামড়া লাগিয়ে সেলাই করে দিলে। এক
দিনের মধ্য সে ঠিক হয়ে গেছে। এখন সে
খুব ভালো আছে!
জাপানি:- আরে এটাতো কিছুই না।
আমাদের দেশে এক বেক্তির
এক্সিডেন্টে ধড় থেকে মাথা আলাদা হয়ে
গেছে। ডাক্তার এসে সেলাই করে দেয়ার
এক ঘন্টার মধ্য সে সম্পূর্নরূপে সুস্থ
হয়ে গেছে।
এখন বাংলাদেশী কী বলবে তা তো ভেবে
পাচ্ছেনা। সে বলল:- বাংলাদেশী:-
তোমাদের থেকে আমাদের প্রযুক্তি
উন্নত! এক ব্যক্তির এক্সিডেন্টে
পেটের চামড়া খসে গাড়ির চাকার সাথে
চলেগেছে। ডাক্তার মশাই পাঁঠি ছাগলের
পেটের চামড়া লাগিয়ে সেলাই করে
দিয়েছে।এখন সে সম্পুর্ন সুস্থ এমন কি
দৈনিক সে এক লিটার দুধ ও দেয়....!
৮।:- এক ম্যডাম তার ক্লাসের এক
বাচ্চাকে প্রশ্ন করল:- ম্যডাম:-
বলোতো চার আনার দুইটা কলা হলে এক
হালি কলার দাম কত? ছেলে:- কিছুক্ষন
ভেবে বলল ম্যডাম, আটানার এক হালি
কলা
দিতে আপনাকে ঠ্যুপপে....!
সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
In a Nursery School Canteen…
There’s a basket of apples with a notice written over it :-
“Do not take more than one, God is watching”
On the other counter there’s a box of chocolates,
A small child went & wrote on it.
“Take as many as U want, God is busy watching the apples”…
NEVER ACT SMART WITH Today’s Generation..!.!
KID :- Why some of ur hair are white dad…?
DAD : – Every time you make me unhappy , one of my hair turns white…
KID :- Now understand why grandpa’s hairs are all white…
Moral :- Don’t be over smart…
Child : Mummy why Gandhi has no hair on his head…?
Mummy : Because he speak only truth…
Child : Now I understud why ladies have long hair…
Don’t laugh alone, share with others
Bollywood songs for kids…
School: Ye Duniya Ye Mehfil Mere Kaam Ki nahi…
Tution: Idher Chala Main Udher Chala Janey Kahan Main Kidher Chala.. .
Maths: Ajeeb Daastaan Hai Ye Kahan Shuru Kahan Khatam..
রবিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
hindi jokes hindi
Marketing Company ka call -
"Hii I'm Mohit from Kolkata"
Me- to main kya karu ?
"Hi I'm Aakas from Pune"
Me- to main kya karu ?
"Hii I'm Riya from Delhi"
Me- Hiiiiiiiiiii Riya.আপনি চাইলে আমাদের ওয়েবসাইটে গল্প লিখতে পারেন , যার দ্বার Google search a আপনার গল্প পাওয়া যাবে
.
http://valobasargolpo420.blogspot.in/
Facebook a golpo pathate join korun https://mobile.facebook.com/groups/877975852318429?refid=27
hindi jokes
Madam: Sabse Zayada Izzat Kiske Paas Hai...?
Boys: Shakti Kapoor,Prem Chopra, Gulshan Grover, Amrish Puri, Pran Ke Paas.
Madam : Wo Kaise...?
Boys : Mamam kyuki inhone ne hi sabse zayada izzat Luti Hai....!আপনি চাইলে আমাদের ওয়েবসাইটে গল্প লিখতে পারেন , যার দ্বার Google search a আপনার গল্প পাওয়া যাবে
.
http://valobasargolpo420.blogspot.in/
Facebook a golpo pathate join korun https://mobile.facebook.com/groups/877975852318429?refid=27
শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
Break up love
I cry for the times that you were almost mine.
I cry for the memories I've left behind.
I cry for the pain, the lost, the old, the new.
I cry for the times I thought I had you.
Should I smile because we're friends or cry because that's all we'll ever be?
It takes only a minute to get a crush on someone, an hour to like someone, and a day to love someone but it takes a lifetime to forget someone.
Sometimes I wish I was a little kid again... Skinned knees are easier to fix than broken hearts!
You never know what you have until you lose it.
My heart was taken by you, broken by you, and now it is in pieces because of you.
If you love me like you told me, please be careful with my heart; you can take it; just don't break it or my world will fall apart.
Don't cry over anyone who won't cry over you.
Romantic love
I was positive I was in love with you
I was positive it was true
What the heck am I supposed to do
You broke my heart in two
It will be better to fall from a tree and break your leg than to fall in love and break your heart.
You want her
You need her
You had her
You lost her
A million words wouldn't bring you back, I know because I tried. Neither would a million tears, I know because I've cried.
It hurts to love someone and not be loved in return, but what hurts more is to love someone, and never find the courage to let them know how you feel.
I'm lonely there is no one close
No one sees the pain, I cry
Hope is gone, I am alone
And no one knows
My eyes are hurting because I can't see you
My arms are empty because I can't hold you
My lips are cold because I can't kiss you
My heart is broken because I'm not with you
funny jokes
হাসি না আসলে,কেবি ফেরত
গ্যারান্টি --------
একদিন বল্টু পুকুর পাড়ে বসে
বসে বই
পড়ছে...!!!!!
পেছন থেকে তার বাবা-মা দেখে তো খুবই
খুশি হল।
মা বললো দেখেছো আমার
ছেলে খেলতে না গিয়ে
এখানে পড়ছে !!
তখন বাবা বললো ও শুধু তোমার
না আমারও
সন্তান !!
. .
এ রকম কয়েক মিনিট
বিতর্কের পর বাবা বলল-------
একটা পরীক্ষা করি, আসলে ও
কার সন্তান ?????
. .
আমরা তার সামনে একটা ঢিল
ছুঁড়ে মারব, যদি সে (ও-মা) করে
চিৎকার
করে,
তবে সে---
তোমার ছেলে আর, যদি (ও-
বাবা)
বলে চিৎকার করে তবে সে আমার ছেলে।
মা বলল ঠিক আছে !!!
বাবা ঢিল ছুড়ল.....
বল্টু চিৎকার করে
বলল------------
------ : :
:
:
:
:
: : :
:
:
:
: :
: :
:
** কোন কুত্তার বাচ্চা রে...!!
তাহলে বলুন তো বল্টু কার
ছেলে?
বল্টু সমগ্র very funny
বল্টু একদিন রেষ্টুরেন্টে
পেপসির বোতল সামনে
রেখে উদাস হয়ে বসে
আছে...
.
একটুপর তার বন্ধু তার কাছে
এল এবং পেপসি টা খেয়ে
ফেললো।
.
সে বল্টুকে বলল... "কিরে
সালা এত উদাস কেনো?"
.
বল্টু বলল... "আজ ভাগ্যটা খুব
খারাপ রে দোস্ত।
.
সকালে gf এর সাথে Break
up. এরপর রাস্তায় গাড়ি টা
নষ্ট হয়ে যাওয়ায় অফিসে
যেতে দেরি হয় তাই বস্
চাকরি থেকে বের করে
দেয়।
.
এরপর মনের দু:খে আত্যহত্যা
করার জন্য পেপসিতে বিষ
মিশালাম,
.
.
.
.
তাও আবার তুই খেয়ে
ফেললি।
love massage
I could never forget the warmth of your hands on my hands. I want to feel it every day and every night. So please, be mine.
My love lives until sun is rising from east and until earth is rotating around it.
I have never heard much from you. But when I see your smile, I know whats in your heart. That’s love for me.
I was thinking how can I say three words to you. Then I found a way.
“I” feel very happy with you.
“Love” is so beautiful.
“You” are enough for me for this life.
Now join first words of the sentences.
How can I explain my feelings to you. Its pain, its numbness, its like I can see only one thing, hear one thing and think about one thing. That is you.
I will never let you go. No matter what situation we are in, I love and care about you for ever.
I have a question for you. Why my heart trembles and my hand shakes while you are around? Why I feel like I have everything in the world and I am so lucky?
শুক্রবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
love story
Girl : হায়?
Boy : হ্যালো !!
Girl : ভালো আছতো তুমি?
Boy : হয়তো না, তোমায় নিয়ে !
Girl : এই কি ভাবছো? প্লিজ প্লিজ
প্লিজ
বলো আমাকে !!!
Boy : তুমি সবসময় বল তুমি আমায়
খুব বিশ্বাস
কর তাই না ?
Girl : হ্যাঁ খুব বিশ্বাস করি!কিন্তু
হঠাৎ
একথা কেনো জিজ্ঞেস করছো কি
হয়েছে ?
Boy : যদি আমি তোমায় ছাদ থেকে
লাফ
দিতে বলি,তুমিকি লাফ দিবে?
Girl : হ্যাঁ দু চোখ বুজে লাফদিবো
Boy : কেনো?
Girl :আমি জানি তুমি আমাকে মরতে
দিবেনা,
আমি লাফ দিলে,তুমি আমার হাত
ধরে ফেলবে আমাকে কিছুতেই
নিচে পরতে দিবেনা তুমি।
Boy : যদি না ধরি?
Girl : তখন নয়তো এই বিশ্বাস নিয়ে
মরে যাবো,
তুমি আমার হাতটি ধরতে খুব চেষ্টা
করেও পারনি,
আমাকে বাঁচাতে!
Moral: বিশ্বাস ভালবাসার
মূলভিত্তি !
যে ভালবাসায় বিশ্বাস নেই সেই
ভালবাসা কখনোই চিরস্হায়ী হবে না..দম বন্ধ করা হাঁসির কৌতুক পড়ুন... আপনাকে শুধু নিচের লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে...
http://valobasargolpo420.blogspot.in/
যদি ভুল করে ভুলে যাওয়া যেতো, তবে তোমায় ভুলে যেতাম.........
যদি ভুল করে ভুলে যাওয়া যেতো,
তবে তোমায় ভুলে যেতাম.........
যদি অভিমান করে দূরে যাওয়া যেতো,
তবে তোমায় ছেড়ে যেতাম......
যদি ইচ্ছের জোরে ঘৃণা করা যেতো
তোমায়,
তবে তোমায় ঘৃণা করতাম.....
যদি কান্নার জলে আমার সকল দুঃখ
ধুয়ে যেতো, তবে দু'চোখের জলে সাগর
সৃষ্টি করতাম.....
যদি আর একটিবার তোমায় কাছে
পেতাম ,
তবে হৃদয়ের অবশিষ্ট ভালোবাসাটুকুও
তোমাকেই দিতাম.................দম বন্ধ করা হাঁসির কৌতুক পড়ুন... আপনাকে শুধু নিচের লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে...
http://valobasargolpo420.blogspot.in/
বল্টু বাথরুম থেকে কী কান্ডই না করলো
জোকস
«
বল্টু এফএম
রেডিও
স্টেশনে কল
করল:
"হ্যালো,
এটা কী এফএম
৯৭.৫ ??"
.
.
RJ : জি, বলুন।
. .
বল্টু : আমার
কথা কী পুরা শহরে শোনা যাচ্ছে ?
.
.
RJ : হ্যাঁ, সবাই
শুনতে পাচ্ছে বলুন। .
. বল্টু :
তারমানে আমার
বোন
যে রেডিও
শুনছে, সেও
শুনতে পাচ্ছে ? . .
RJ : (রাগতস্বরে)
আরে বেকুব হ্যাঁ।
.
.
. . .
.
বল্টু :
হ্যালো পিংকি,
যদি আমার
কথা শুনতে পাস
তাহলে জলদি পানির
মোটর চালু
কর।
আমি টয়লেটে বইসা আছি আর
পানি শেষ।
তোর নাম্বারটাও
বন্ধ।
এক ছাত্র তার পীর সাহেবকে বলল >
হুজুর , আপনিতো জ্বীন হাজির
করে তাদের দ্বারা অনেক কাজ করান , আমাকে একটু জ্বীন হাজির
করা শিখিয়ে দিন , আমার জ্বীন হাজির
করতে খুব ইচ্ছে করে । হুজুর তাকে
নিষেধ করা সত্তেও বার বার
পিড়াপিড়ির কারনে তাকে শিখিয়ে দিলো।
এবার সে সুযোগ বুঝে একদিন একটি
জ্বীন হাজির করল। এবার বিকট
প্রকাণ্ড জ্বীনটি তাকে বর্জকণ্ঠে
বলল "কাঁজ দে"। এখন সে তো বিপদে
পড়লো, কী কাজ দিবে? সে কোনো উপায়
না পেয়ে একটি বাঁশঝাড় দেখিয়ে বাঁশ
গুলি তুলতে বলল। মুহুর্তের মধ্য
জ্বীনটি বাঁশঝাড় ছাফ করে দিয়ে আবার
বলল "কাঁজ দে"। মহা বিপদ! ছাত্রটি
তাকে কিছু গাছ উপড়াতে বলে দৌড়
দিয়ে তার পীরের কাছে এসে পৌছে
বিপদের কথা বলল। তার পীর তাকে
বলল - এই জন্যই তোমাকে নিষেধ
করেছিলাম। তারপর তাকে একটি বুদ্ধি
শিখিয়ে দিলো। এবার জ্বীন এশে আবার
বলল "কাঁজ দে . তখন ছাত্রটি
জ্বীনকে বলল "কুত্তার লেজ সোজা
কর গিয়ে"। তখন জ্বীনটি ভাবলো
এতো খুব সহজ কাজ, জ্বীনটি একটি
কুকুর ধরে এনে লেজটি সোজা করার
চেষ্টায় লেগে গেলো। কিন্তু একী,
জ্বীনটি যতবারই লেজটি সোজা করে,
ছেড়ে দেয়, ছাড়ার সাথে সাথেই আবার
লেজ বাঁকা হয়ে যায়। সারা দিন চেষ্টার
পর সন্ধায় জ্বীনটি ছাত্রকে বলল
"হুজুর মাফ করবেন, লেজ সোজা
হচ্ছেনা"।
দেখে নিন যে কারনে ভাল ছেলেরা প্রেমিকা পায় নাhttp://valobasargolpo420.blogspot.in/দেখে নিন যে কারনে ভাল ছেলেরা প্রেমিকা পায় না
ভালো ছেলের প্রেমে পরতে চায় না
মেয়েরা যে কারনে?
ছেলেটি বেশ ভালো, পড়াশোনা, স্বভাব–
সবেতেই। কিন্তু কোথায় যেন একটা
‘খামতি’ রয়েছে, তাই তো কোনো মেয়েই
তাকে প্রেমিক হিসেবে মেনে নিতে চায়
না বা কোনো প্রেমিকাই তার সঙ্গে
সম্পর্কে বেশিদিন স্থির থাকে না।
সবার চোখেই ওই সিধাসাধা ছেলেটি
মায়ের আঁচলে থাকা লক্ষ্মী ছেলে হয়ে
দাঁড়ায়।
কিন্তু কেন হয় এমন?
১. গায়ে পড়া স্বভাব নেই- গায়ে পড়ে
বন্ধুত্ব করা বা গায়ে পড়ে থাকা এদের
স্বভাব নয়। শুধু মেয়ে কেন, কারও
গায়ে পড়ে আলাপ করাটা এদের না-
পসন্দ। এমনকি কেউ আলাপ করতে
এলেও নিজের মধ্যেই গুটিয়ে থাকেন।
ফলে তাদের পরিচিত মানুষের পরিধি
খুবই ছোট আর সেই পরিধিতে মেয়েদের
সংখ্যা আরও কম।
২. এরা কাউকে প্রতারিত করতে
পারেন না- কোনো মেয়েকে নিজের
প্রেমে ফেলতে গেলে একটু কৌশল, একটু
ছলাকলা জানতেই হয়। বলাই বাহুল্য, যে
ভালো ছেলেরা এসব থেকে একশ হাত দূরে
থাকেন এবং এগুলো বোঝেন না। প্রেমের
সপ্ত ছলকলা এদের রপ্তের বাইরেই
থেকে যায়।
৩. ভালো ছেলেরা ‘বোরিং’ হয়- ভালো
ছেলেরা কোন মুহূর্তে কী কাজ করবে,
তা সহজেই ধারণা করা যায়। কিন্তু
খারাপ ছেলেদের ক্ষেত্রে এ কথা খাটে
না। এই বিগড়ে যাওয়া ছেলেদের
প্রেমিকা হওয়া মেয়েদের কাছে একটা
বড় চ্যালেঞ্জ। আবার বিগড়ে যাওয়া
ছেলেদের শুধরাতে মেয়েরা ভালোবাসে।
ওই ছেলেটিকে নিজের মতো করে তৈরি
করাই মেয়েদের মিশন হয়ে দাঁড়ায়।
কিন্তু ভালো ছেলের মধ্যে ঠিক ঠাক
করার কিছুই নেই। তাই তাদের না-
পছন্দ করেন মেয়েরা।
৪. মায়ের কথা মেনে চলে- ভালো ছেলে
মায়ের কথা মতো কাজ করে। মায়ের
পছন্দ ছাড়া বিয়ে করবে না বা সব
সিদ্ধান্তে মাকে শামিল করে তারা।
তার প্রেমিক তার পরিবর্তে মায়ের
কথা মতো কাজ করছে! এই সত্যটি
তারা ঠিক মেনে নিতে পারেন না। তাই
এই আপাত ভালো ছেলেটিকে তারা
mumma’s boy বলে হেয় করতেও
ছাড়েন না। এই mumma’s boy-
রা তাদের অপছন্দের তালিকায় থাকেন।
৫. ক্যারিয়ার সচেতন- জীবনে অনেক
বড় কিছু করতে হবে। এই ভেবে
পড়াশোনা এবং কেরিয়ারেই বেশি
মনোযোগী হন গুড বয়েরা। কিন্তু
মেয়েরা চায় তার প্রেমিক সব ছেড়ে
তাদের সঙ্গে ঘুরে বেড়াক। ভালো
ছেলেরা তা করে না বলে মেয়েরাও তাদের
থেকে দূরত্ব বজায় রাখে।
৬. মিথ্যা বলতে পারে না- প্রেমের
সম্পর্ক গড়ে তুলতে গিয়ে অল্প-স্বল্প
নির্দোষ মিথ্যা থাকেই। নিজের
সম্পর্কে একটু বাড়িয়ে বলা বা নিজেকে
হিরো সাজানো এগুলি কোনো সিধাসাধা
ছেলের পক্ষে সম্ভব নয়। আর এ সব
করতে না-পারলে কোনো মেয়েই আবার
তাদের পাত্তা দেবে না।
৭. প্রথমেই সিরিয়াস হয়ে যায়-
‘আলাপের পর প্রথম ডেটিংয়ে এসেই
আমার ওপর অধিকার ফলানো!’ নিজের
সপ্নের মেয়ের খোঁজ পাওয়ার পরই
ভালো ছেলেরা তাদের নিয়ে খুব সিরিয়াস
এবং পজেসিভ হয়ে পড়ে। তার যত্ন
নিতে গিয়ে অনেক সময় ছেলেরা
অধিকার ফলাতে শুরু করে। ফলে
সম্পর্ক শুরু আগেই সেখানে ফুলস্টপ
লাগিয়ে দেয় মেয়েটি।
৮. প্রচণ্ড আবেগী হয়-! বেশিরভাগ
ক্ষেত্রেই ভালো ছেলেরা প্রচণ্ড
আবেগী ও স্পর্শকাতর। আবার কথায়
কথায় আবেগের বন্যায় ভেসে যায়-এমন
ছেলেদের থেকে মেয়েরা তফাত্ বজায়
রাখেন।
১০. সম্পর্কভীতি কাজ করে- কোনো
মেয়ে ওই ভালো ছেলেটির হৃদয়ের কড়া
নেড়েছে। তার পরই ছেলেটির মনে ওঠে
প্রশ্নের ঝড়। বাড়িতে কেউ জানতে
পারলে? কী ভাবে প্রপোজ করব? সে
আমার প্রস্তাব স্বীকার করল, কিন্তু
বাড়ির চাপে দুই হাত এক করতে পারলাম
না, তখন কী হবে, কী ভাবে থাকব তাকে
ছেড়ে? এ ধরনের বহু প্রশ্ন তাদের মনে
যখন ঝড় তোলা শুরু করে, তখন ছেলেটি
ঠিক করে, ‘থাক বাবা, প্রেম করে বা
সম্পর্কে জড়িয়ে লাভ নেই।’
১১. ভালো ছেলেরা শেষ পর্যন্ত বুঝে
উঠতে পারে না তার প্রেমিকাকে কী
বলবে বা কী বলবে না। কিন্তু বিগড়ে
যাওয়া ছেলেরা ভালোভাবেই জানে, কী
বললে মেয়েটিকে খুশি করা যাবে। আবার
মেয়েদের ধারণা, ভালো ছেলেরা ভালো
যৌনসঙ্গী হতে পারে না।
১২. চিরকাল ধরে ছেলেরাই মেয়েদের
নিরাপত্তা দিয়ে এসেছে। তা সে
যেকোনো ধরনেরই নিরাপত্তা হোক না-
কেন। বিগড়ে যাওয়া বা হিরো সেজে ঘুরে
বেড়ানো ছেলেরা মেয়েদের আশ্বস্ত করে
যে, তাদের সম্পূর্ণ নিরাপদে রাখবে।
কিন্তু ভালো ছেলেদের সাধারণত দুর্বল
মনে করে মেয়েরা, তাই এ ব্যাপারে
তাদের ওপর ঠিক ভরসা রাখতে পারে
না।
জীবনে ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি।
ছেলেরা ভালো এবং খারাপের তালিকায়
ভাগ হয়ে যায়। কিন্তু আদর্শ ছেলেদের
উচিত এই দুইয়ের মাঝে ভারসাম্য বজায়
রাখা।
বৃহস্পতিবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
দেখে নিন যে কারনে ভাল ছেলেরা প্রেমিকা পায় না
ভালো ছেলের প্রেমে পরতে চায় না
মেয়েরা যে কারনে?
ছেলেটি বেশ ভালো, পড়াশোনা, স্বভাব–
সবেতেই। কিন্তু কোথায় যেন একটা
‘খামতি’ রয়েছে, তাই তো কোনো মেয়েই
তাকে প্রেমিক হিসেবে মেনে নিতে চায়
না বা কোনো প্রেমিকাই তার সঙ্গে
সম্পর্কে বেশিদিন স্থির থাকে না।
সবার চোখেই ওই সিধাসাধা ছেলেটি
মায়ের আঁচলে থাকা লক্ষ্মী ছেলে হয়ে
দাঁড়ায়।
কিন্তু কেন হয় এমন?
১. গায়ে পড়া স্বভাব নেই- গায়ে পড়ে
বন্ধুত্ব করা বা গায়ে পড়ে থাকা এদের
স্বভাব নয়। শুধু মেয়ে কেন, কারও
গায়ে পড়ে আলাপ করাটা এদের না-
পসন্দ। এমনকি কেউ আলাপ করতে
এলেও নিজের মধ্যেই গুটিয়ে থাকেন।
ফলে তাদের পরিচিত মানুষের পরিধি
খুবই ছোট আর সেই পরিধিতে মেয়েদের
সংখ্যা আরও কম।
২. এরা কাউকে প্রতারিত করতে
পারেন না- কোনো মেয়েকে নিজের
প্রেমে ফেলতে গেলে একটু কৌশল, একটু
ছলাকলা জানতেই হয়। বলাই বাহুল্য, যে
ভালো ছেলেরা এসব থেকে একশ হাত দূরে
থাকেন এবং এগুলো বোঝেন না। প্রেমের
সপ্ত ছলকলা এদের রপ্তের বাইরেই
থেকে যায়।
৩. ভালো ছেলেরা ‘বোরিং’ হয়- ভালো
ছেলেরা কোন মুহূর্তে কী কাজ করবে,
তা সহজেই ধারণা করা যায়। কিন্তু
খারাপ ছেলেদের ক্ষেত্রে এ কথা খাটে
না। এই বিগড়ে যাওয়া ছেলেদের
প্রেমিকা হওয়া মেয়েদের কাছে একটা
বড় চ্যালেঞ্জ। আবার বিগড়ে যাওয়া
ছেলেদের শুধরাতে মেয়েরা ভালোবাসে।
ওই ছেলেটিকে নিজের মতো করে তৈরি
করাই মেয়েদের মিশন হয়ে দাঁড়ায়।
কিন্তু ভালো ছেলের মধ্যে ঠিক ঠাক
করার কিছুই নেই। তাই তাদের না-
পছন্দ করেন মেয়েরা।
৪. মায়ের কথা মেনে চলে- ভালো ছেলে
মায়ের কথা মতো কাজ করে। মায়ের
পছন্দ ছাড়া বিয়ে করবে না বা সব
সিদ্ধান্তে মাকে শামিল করে তারা।
তার প্রেমিক তার পরিবর্তে মায়ের
কথা মতো কাজ করছে! এই সত্যটি
তারা ঠিক মেনে নিতে পারেন না। তাই
এই আপাত ভালো ছেলেটিকে তারা
mumma’s boy বলে হেয় করতেও
ছাড়েন না। এই mumma’s boy-
রা তাদের অপছন্দের তালিকায় থাকেন।
৫. ক্যারিয়ার সচেতন- জীবনে অনেক
বড় কিছু করতে হবে। এই ভেবে
পড়াশোনা এবং কেরিয়ারেই বেশি
মনোযোগী হন গুড বয়েরা। কিন্তু
মেয়েরা চায় তার প্রেমিক সব ছেড়ে
তাদের সঙ্গে ঘুরে বেড়াক। ভালো
ছেলেরা তা করে না বলে মেয়েরাও তাদের
থেকে দূরত্ব বজায় রাখে।
৬. মিথ্যা বলতে পারে না- প্রেমের
সম্পর্ক গড়ে তুলতে গিয়ে অল্প-স্বল্প
নির্দোষ মিথ্যা থাকেই। নিজের
সম্পর্কে একটু বাড়িয়ে বলা বা নিজেকে
হিরো সাজানো এগুলি কোনো সিধাসাধা
ছেলের পক্ষে সম্ভব নয়। আর এ সব
করতে না-পারলে কোনো মেয়েই আবার
তাদের পাত্তা দেবে না।
৭. প্রথমেই সিরিয়াস হয়ে যায়-
‘আলাপের পর প্রথম ডেটিংয়ে এসেই
আমার ওপর অধিকার ফলানো!’ নিজের
সপ্নের মেয়ের খোঁজ পাওয়ার পরই
ভালো ছেলেরা তাদের নিয়ে খুব সিরিয়াস
এবং পজেসিভ হয়ে পড়ে। তার যত্ন
নিতে গিয়ে অনেক সময় ছেলেরা
অধিকার ফলাতে শুরু করে। ফলে
সম্পর্ক শুরু আগেই সেখানে ফুলস্টপ
লাগিয়ে দেয় মেয়েটি।
৮. প্রচণ্ড আবেগী হয়-! বেশিরভাগ
ক্ষেত্রেই ভালো ছেলেরা প্রচণ্ড
আবেগী ও স্পর্শকাতর। আবার কথায়
কথায় আবেগের বন্যায় ভেসে যায়-এমন
ছেলেদের থেকে মেয়েরা তফাত্ বজায়
রাখেন।
১০. সম্পর্কভীতি কাজ করে- কোনো
মেয়ে ওই ভালো ছেলেটির হৃদয়ের কড়া
নেড়েছে। তার পরই ছেলেটির মনে ওঠে
প্রশ্নের ঝড়। বাড়িতে কেউ জানতে
পারলে? কী ভাবে প্রপোজ করব? সে
আমার প্রস্তাব স্বীকার করল, কিন্তু
বাড়ির চাপে দুই হাত এক করতে পারলাম
না, তখন কী হবে, কী ভাবে থাকব তাকে
ছেড়ে? এ ধরনের বহু প্রশ্ন তাদের মনে
যখন ঝড় তোলা শুরু করে, তখন ছেলেটি
ঠিক করে, ‘থাক বাবা, প্রেম করে বা
সম্পর্কে জড়িয়ে লাভ নেই।’
১১. ভালো ছেলেরা শেষ পর্যন্ত বুঝে
উঠতে পারে না তার প্রেমিকাকে কী
বলবে বা কী বলবে না। কিন্তু বিগড়ে
যাওয়া ছেলেরা ভালোভাবেই জানে, কী
বললে মেয়েটিকে খুশি করা যাবে। আবার
মেয়েদের ধারণা, ভালো ছেলেরা ভালো
যৌনসঙ্গী হতে পারে না।
১২. চিরকাল ধরে ছেলেরাই মেয়েদের
নিরাপত্তা দিয়ে এসেছে। তা সে
যেকোনো ধরনেরই নিরাপত্তা হোক না-
কেন। বিগড়ে যাওয়া বা হিরো সেজে ঘুরে
বেড়ানো ছেলেরা মেয়েদের আশ্বস্ত করে
যে, তাদের সম্পূর্ণ নিরাপদে রাখবে।
কিন্তু ভালো ছেলেদের সাধারণত দুর্বল
মনে করে মেয়েরা, তাই এ ব্যাপারে
তাদের ওপর ঠিক ভরসা রাখতে পারে
না।
জীবনে ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি।
ছেলেরা ভালো এবং খারাপের তালিকায়
ভাগ হয়ে যায়। কিন্তু আদর্শ ছেলেদের
উচিত এই দুইয়ের মাঝে ভারসাম্য বজায়
রাখা।
অসাম ভালোবাসার গল্প পার্ট - ১
— ফারাবী আর নিশার আজ
ভার্সিটির প্রথম দিন . . . . . .
— প্রথম দিনের প্রথম ক্লাসেই তারা
পাশাপাশি (পুরাই অপরিচিতভাবে) বসে .
. . . . . .
— ফারাবী আর নিশা খাতা বের করে
প্রফেসরের লেকচার নোট করবে বলে . .
. . . . . কিন্তু এ কি . . . . .
— দুজনের-ই খাতা সেইম কালারের
আর সেইম লেভেলের . . . . . সেটা
ফারাবী খেয়াল করে ! একটু পরে নিশা
তার কলম বের করল . . . . . কিন্তু এ
কি . . . .
— সেইম কালারের কলম দেখে দুজন-
দুজনার দিকে তাকায় আর মুচকি হাসি
দেয় নিশা . . . . . .
অতঃপর তারপর থেকে বন্ধুত্ত শুরু হয়
তাদের . . . . . .
— ফারাবী নিশার খুব ঘনিস্ট বন্ধু
হয়ে উঠে . . নিশার সব কস্ট আর সব
ধরণের ফিলিংসের কথা শেয়ার করত
ফারাবীর সাথে . . . . . . . .
— বেশ ভালৈ চলছিল তাদের
বন্ধুত্তের রেলের চাকা . . .
— মাঝপথে থেমে থাকতে চাই ফারাবী .
. . . ফারাবীর মদ্ধে নিশার প্রতি
একধরনের ভাললাগা কাজ করে . . . . .
. .
অতঃপর বন্ধুত্ত থেকে ভাললাগার রুপ
নেয়্
— নিশার কয়েকটা ফিজিক্স ক্লাস
মিস হয়ে গেছে যেগুলার পড়াও সে মিস
করে ফেলে সে! তাই সে ভার্সিটির এক
কোণে খুব টেনশনে মুডে দাড়িয়ে
আছে,আর চিন্তা করে কিভাবে কাভার
দিবে নিজে এতগুলা চ্যাপটার তাও
আবার exam knocking at the
door . . . .
— ঠিক তখন-ই সেখানে হাজির হয়
তার সব থেকে বন্ধু ফারাবীটা . . . .
ফারাবী জিগেস করে . . . .
— ফারাবীঃ হাই . . . নিশা . . . সামথিং
ইয হ্যাপেন্ড ?
— না . . . . ফারাবী . . . .
— মন খারাপ . . . . . . ?
— না . . . .
— মুড অফ . . . . . .
— না . . . .
— আমি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি তোমার
মন খারাপ . . . . কি হয়েছে নিশা . . . .?
— (অতঃপর ফারাবীর দিকে অসহায়
চোখে তাকায় নিশা আর সব খুলে বলে
নিশা . . . . . .
ভালোবাসার কথা
— এটা কোনো প্রবলেম্না . . .
ম্যা,হুনা . . . বন্ধু . . . .
— মানে . . . . do u help me ?
— ইয়েস . , . i support u
— উফফ . . . . ফারাবী বড় টেনশন
থেকে বাচালে তুমি . . . .
— 0k,0k . . তাই আর টাইম নস্ট না
করে কফি শপে বসে চ্যাপটার গুলো
ডিসকাস করি . . .
— হুম . . . . . চলো . . . .
সব প্রব্লেম সল্ভ করে দেয় ফারাবী
আর তখন নিশার মায়াবী চেহারার দিকে
তাকাতো . . . এ যেন স্বর্গের অপ্সরীর
পাশে বসে আছে . . . . .
— শেষ পর্যায়ে বলে উঠে ফারাবী . . .
.
— ফারাবীঃ আজ সন্ধ্যায় 6pm
T.S.C তে কনসার্ট আছে . . . . .আসবে
তুমি?
— ও . . . . i get it আসবতো . . . .
— কাল থেকেই কিন্তু exam
ম্যাডাম . . .
— ওয়াও . . . . . তাইতো . . . কাল
কিন্তু আপ্নারও exam তো যাওয়ার
কথা বলছেন যে . . . .
— না . . . . তবু-ও যাওয়া যায় কি না
দেখলাম আর কি . . . .
— না . . . বাবা তুমি যাও . . . . আমি
fail করতে পারবনা exam এ . . . . .
— পরদিন exam হয়ে কয়েকদিন পর
রেজাল্ট আউট হয় ; রেজাল্টে ফিজিক্সে
খারাপ করে ফারাবী . . . . . (ফেল মারে
ফারাবী) . . . . . . .
— অতঃপর ফারাবীকে সান্তনা দিতে
আসে কাছের বন্ধু নিশা . . . . .
— নিশাঃ i m sorry . . . .
— ফারাবীঃ why sorry ?
— না . . . . তুমি আমাকে বুঝাতে যেয়ে
ফিজিক্স নিজেরটা ভাল করে পড়নি . . .
.
— এটা কি বললা তুমি . . . . নিজেই
ক্রাইম নিচ্ছ কেন . . .
— আমার সব থেকে কাছের বন্ধুটা
খারাপ করলে কি আমার কি খারাপ
লাগবেনা . . . .?
— নিশা . . . . . তুমি এভাবে বললে
কিন্তু আমার-ও খারাপ লাগবে . . . . .
we are frnd ,there is no
sorry & thanks . . . . . . .
সেদিনের পর থেকে ফারাবীর ভাললাগা
অনুভুতিটা আস্তে আস্তে ভালবাসায়
রুপ নিতে থাকে . . . . . . .
— ফারাবীর ভালবাসার অনুভুতিটা
দিন-দিন বাড়তে থাকে . . . . কিন্তু
নিশাকে বলার সাহস পাচ্ছেনা সে . . . .
— কথাটা বলতে অনেকরকমের
প্র্যাকটিস করা শুরু করে ফারাবী . . . .
কখনো-বা আয়নার সামনে আর কখনো
নিজের সাথে নিজে . . . .
— এর-ই মাঝে চলে আসে নিশার জন্ম
দিন . . . . প্রিয় বন্ধুকে কি গিফট
করবে ভেবে খুজে পায়না ফারাবী . . . . .
.
— এর মাঝে ফারাবী সিদ্ধান্ত নেয়
তার বার্থ-ড্যা তে-ই মনের কথাটা
জানাবে সে . . . . . .
— শেষ-মেষ,গিফট কাগজে মুড়ে গিফট
নিয়ে হাজির হয় নিশার বাসার সামনে . .
. . .
— বাসায় ঢুকতেই ফারাবী দেখতে পায়
নিশা কেক কাটা শুরু করে দেয় তার
বন্ধুদের নিয়ে . . . . যেটা দেখে ফারাবী
শকড খায় কারণ ফারাবী-বিহীন কেক
কাটার কথা ছিলনা . . . . . . .
— কেক খেতে খেতে নিশা ফারাবীকে
দরজায় দাড়ানো অবস্থায় দেখতে পায় .
. . . আর বলে . . .
— নিশাঃ আপনার এতক্ষণে আসার
সময় হলো!
— ফারাবীঃ হ্যাপী বার্থ-ড্যা টু ইয়ু .
. . নিশা . .
— হুম . . . . বুঝলাম . . . এখন চলেন
পার্টিতে . . .
— ইটস ফর ইয়ু . . . (গিফটটা হাতে
দিয়ে) . . . .
— ওয়াও . . . খুলে দেখতে পারি
এখন?
– O,its sure . . . .
— না . . , দেরী হয়ে যাচ্ছে . . . পরে
দেখব . . . .
— “সময়কে ধরে রাখা যায়না,জাস্ট
মনে রাখা যায় . . .” তাই গড়ি গিফট
করলাম . . . .
— হৈছে . . . . এখন চলেন,সবাই wait
করতেসে . . . . . এই বলে নিশা চলল . .
.
— নিশাকে পিছন ফিরায় ফারাবী . . . .
আর বলে . . . .
— ফারাবীঃ তোমাকে একটা কথা বলতে
চাই . . . . .
— হ্যা . . . . . বল কি কথা . . . .
— ফারাবীর মদ্ধে খুব সংকোচ আর
জড়তা কাজ করছিল তাই বলতে গিয়ে
বলে ফেলল . . . .
— ফারাবীঃ many many
happy returns of the day . .
.
— নিশাঃ many many thanks
farabI . . NoW,Lets go . . . .
— অবশেষে ফারাবী বলতে পারেনা . . .
. . ফারাবী এরপরেও বিভিন্নভাবে
চেস্টা করে কিন্তু কোনো সময় দেখা
যায় তখন নিশার মন খারাপ অথবা
নিশার ব্যাস্ততা অথবা ফারাবীর
জড়তা আর সংকোচ কাজ করে . . . . . .
— এভাবে চলতে থাকে তাদের সম্পর্ক
কিন্তু আজ-ও বলতে পারেনি মনের
ব্যাক্তটা . . . .
— অবশেষে চলে আসে ভার্সিটির শেষ
দিন . . . . মানে,আজকের পর তাদের
আর দেখা হবেনা . . . . . .
— ফারাবীর খুব কস্ট হচ্ছিল . . . .
then ফারাবী নিশাকে নিয়ে আজ
একটা জায়গায় বেড়াতে যেতে চায় . . .
— ফারাবীঃ আজতো আমাদের শেষ
meet চল কোথাও ঘুরে আসি . . . . .
আর কিছু কথা ছিল তোমার সাথে . . . .
. .
— নিশাঃ হ্যা . . . . আমারো কিছু কথা
আছে তোমার সাথে,ফারাবী . . . . .
— অতঃপর খোলা সবুজ মাঠের পাশে
এক জলা
হাঁসতে হাঁসতে পাগল হয়ে যাবেন... আপনাকে শুধু নিচের লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে... http://hasirjogot420.blogspot.in/
হাঁসতে হাঁসতে পাগল হয়ে যাবেন... আপনাকে শুধু নিচের লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে...
http://hasirjogot420.blogspot.in/
বুধবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
কান কাটলে দেখব কি করে??
#হাসির_কৌতুক
এক বৃদ্ধ মহিলা চশমা ছাড়া চোখে
দেখেনা তার আবার কানের সমস্যা শুরু
হয়েছে। তাই সে ডাক্তারের কাছে গেছে.
ডাক্তারঃ আপনার কান অপারেশন করা
লাগবে।
বৃদ্ধাঃ তাহলে যে ডাক্তার সাহেব আমি
আর কিছু দেখতে পাবনা।
ডাক্তারঃ দেখুন আপনার চোখ নয়, কান
অপারেশনের কথা বলেছি।
বৃদ্ধাঃ ডাক্তার সাহেব, চশমার ডাঠি
দুটি রাখবো কোথায় ?
#কৌতুক..:- জাপান একটি চোর ধরার আধুনিক
যন্ত্র আবিষ্কার করল এবং সেটি
আমেরিকায় স্থাপন করল। এতে ১দিনে
৪০হাজার চোর ধরা পড়লো। চীনে
স্থাপন করে ৩০হাজার চোর ধরা
পড়লো। ভারোতে ১৫হাজার চোর ধরা
পড়লো। নেপালে ৫০০চোর ধরা
পড়লো। এবার তারা যন্ত্রটি
বাংলাদেশে স্থাপন করলো। পরদিন তারা
ফলাফল দেকে সকলে অবাক হয়ে গেলো!
বাংলাদেশে একটিও চোর ধরা পড়েনি।
তারা ভালো করে তদন্ত করে দেখলো যে
যেখানে চোর ধরা যন্ত্রটি স্থাপন করা
হয়েছিলো সেখান থেকে যন্ত্রটিই কে
যেন চুরি করে
নিয়েছে।
ছাগলের আত্নীয়
#কৌতুক
আলোকচিত্র সাংবাদিক হরিপদ
মহাসড়ক ধরে ছুটে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ
দেখলেন, পথিমধ্যে এক জায়গায়
ভয়ানক দুর্ঘটনা ঘটেছে। জানা গেল,
হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। করিৎকর্মা
হরিপদ ভাবলেন, দুর্ঘটনাস্থল থেকে
চটজলদি কিছু ছবি না তুললেই নয়।
ক্যামেরা হাতে এগিয়ে গেলেন তিনি।
এদিকে লোকজন ভিড় করে দাঁড়িয়ে
আছে। হরিপদ ছবি তুলবেন কি,
ঘটনাস্থলের কাছাকাছি যাওয়াই দায়।
ফন্দি আঁটলেন হরিপদ। উঁচু গলায়
বলতে শুরু করলেন, ‘দেখি ভাই, আমাকে
একটু সামনে যেতে দেন। যিনি মারা
গেছেন, তিনি আমার অত্যন্ত
আপনজন…একটু সামনে যেতে দিন।’
হরিপদকে জায়গা করে দিল লোকজন।
হরিপদ সামনে গিয়ে দেখলেন, দুটো ছাগল
মরে পড়ে আছে,..!
§ চাপাবাজী করা ঠিক নয় §
পরিক্ষার আগের রাতের অবস্থা
পরীক্ষার আগের রাতে এক
ছাত্র
পয়সা দিয়ে টস
করতেসে ---
-
যদি শাপলা আসে তাইলে ঘুমায়া যামু,
- যদি মানুষ
আসে তাইলে টিভি দেখমু,
-
যদি খারায়া থাকে তাইলে গেইমস
খেলমু,
আর
. . .
.
.
.
যদি পয়সাটা আকাশে ভাসে
তাইলে......সারা
রাত পরমু !!
চোর ধরার যন্ত্র ।
হাসির_কৌতুক
এক বৃদ্ধ মহিলা চশমা ছাড়া চোখে
দেখেনা তার আবার কানের সমস্যা শুরু
হয়েছে। তাই সে ডাক্তারের কাছে গেছে.
ডাক্তারঃ আপনার কান অপারেশন করা
লাগবে।
বৃদ্ধাঃ তাহলে যে ডাক্তার সাহেব আমি
আর কিছু দেখতে পাবনা।
ডাক্তারঃ দেখুন আপনার চোখ নয়, কান
অপারেশনের কথা বলেছি।
বৃদ্ধাঃ ডাক্তার সাহেব, চশমার ডাঠি
দুটি রাখবো কোথায় ?
#কৌতুক..:- জাপান একটি চোর ধরার আধুনিক
যন্ত্র আবিষ্কার করল এবং সেটি
আমেরিকায় স্থাপন করল। এতে ১দিনে
৪০হাজার চোর ধরা পড়লো। চীনে
স্থাপন করে ৩০হাজার চোর ধরা
পড়লো। ভারোতে ১৫হাজার চোর ধরা
পড়লো। নেপালে ৫০০চোর ধরা
পড়লো। এবার তারা যন্ত্রটি
বাংলাদেশে স্থাপন করলো। পরদিন তারা
ফলাফল দেকে সকলে অবাক হয়ে গেলো!
বাংলাদেশে একটিও চোর ধরা পড়েনি।
তারা ভালো করে তদন্ত করে দেখলো যে
যেখানে চোর ধরা যন্ত্রটি স্থাপন করা
হয়েছিলো সেখান থেকে যন্ত্রটিই কে
যেন চুরি করে
নিয়েছে।
চাপাজাজের কান্ড
কৌতুক
আলোকচিত্র সাংবাদিক হরিপদ
মহাসড়ক ধরে ছুটে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ
দেখলেন, পথিমধ্যে এক জায়গায়
ভয়ানক দুর্ঘটনা ঘটেছে। জানা গেল,
হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। করিৎকর্মা
হরিপদ ভাবলেন, দুর্ঘটনাস্থল থেকে
চটজলদি কিছু ছবি না তুললেই নয়।
ক্যামেরা হাতে এগিয়ে গেলেন তিনি।
এদিকে লোকজন ভিড় করে দাঁড়িয়ে
আছে। হরিপদ ছবি তুলবেন কি,
ঘটনাস্থলের কাছাকাছি যাওয়াই দায়।
ফন্দি আঁটলেন হরিপদ। উঁচু গলায়
বলতে শুরু করলেন, ‘দেখি ভাই, আমাকে
একটু সামনে যেতে দেন। যিনি মারা
গেছেন, তিনি আমার অত্যন্ত
আপনজন…একটু সামনে যেতে দিন।’
হরিপদকে জায়গা করে দিল লোকজন।
হরিপদ সামনে গিয়ে দেখলেন, দুটো ছাগল
মরে পড়ে আছে,..!
§ চাপাবাজী করা ঠিক নয় §
পরীক্ষার আগের রাত
পরীক্ষার আগের রাতে এক
ছাত্র
পয়সা দিয়ে টস
করতেসে ---
-
যদি শাপলা আসে তাইলে ঘুমায়া যামু,
- যদি মানুষ
আসে তাইলে টিভি দেখমু,
-
যদি খারায়া থাকে তাইলে গেইমস
খেলমু,
আর
. . .
.
.
.
যদি পয়সাটা আকাশে ভাসে
তাইলে......সারা
রাত পরমু !!
পাগলের বুদ্ধি
#হাসির_কৌতুক
একদিন একটি বিমান মানসিক
অসুস্থ (পাগল) দের বহন করে
চিকিৎসার জন্য একদেশ থেকে
অন্যদেশে নিয়ে যাচ্ছিলো। পুরো
বিমানটিতে পাগলগুলো চিৎকার করে
শব্দ-দূষণ করছিলো এবং এতে
পাইলট এর প্লেন চালাতে খুবই
অসুবিধা হচ্ছিলো।
হঠাৎ করে একটি পাগল কিভাবে যেন
পাইলট এর কেবিনে ঢুঁকে পড়লো।
…
পাগলটি পাইলটকে বলল,
পাগলঃ ভাই তুমি কিভাবে প্লেন
চালাও আমারে একডু শিখায় দাও ।
আমি কালকেই একডা প্লেন কিন্না
নিজে চালায়া লং ড্রাইভে যামু।
পাইলটঃ আচ্ছা ঠিক আছে, কিন্তু
একটা শর্ত আছে।
পাগলঃ কি শর্ত?
পাইলটঃ আপনি যদি আপনার
বন্ধুদের শান্ত করে এই প্লেনে
হওয়া শব্দ-দূষণ বন্ধ করতে
পারেন। আমার প্লেন চালাতে অনেক
সমস্যা হচ্ছে।
পাগলঃ আচ্ছা ঠিক আছে।
~(৫ মিনিট পরে প্লেন একদম
শান্ত!!)~
পাগল এসে পাইলটকে বলল,
পাগলঃ হ্যা ভাই, এখন শিখান।
পাইলটঃ Wow!! খুবই চমৎকার
আপনি কিভাবে উনাদের শান্ত
করলেন?
↓
↓
↓
↓
↓
↓
↓
↓
পাগলঃ আমি গিয়া প্লেন এর দরজা
খুইল্লা সবাইরে কইলাম ” কেও
এখানে শব্দ কইরো না, যাও সবাই
বাহিরে গিয়া খেলোগা”
আবুল সমগ্র
আবুল গেল তার জ্যোতিষ
বাবারকাছে ডান হাত বাড়িয়ে বলল,
:
আবুল : বাবা! আমার ডান হাত
চুলকায়।
কী
আছে সামনে বলেন?
জ্যোতিষ : তোর অর্থ প্রাপ্তি
সুনিশ্চিত!
আবুল : বাবা, বাম হাতও চুলকায়!
বাবা বলে,
জ্যোতিষী : কী বলিস! তোর আরও
অর্থ
আসবে।
আবুল আনন্দিত গলায় বলল,
আবুল : বাবা
বাবা,আমারডান হাঁটু চুলকায়।
জ্যোতিষ : তোর বিদেশ যাত্রা
হবে।
খুশিতে গদগদ আবুল মহা উৎসাহের
সাথে আবুল বলল,
:
আবুল : আমার বাম হাঁটুও চুলকায়!!
বিরক্ত হয়ে জ্যোতিষী বলল,
:
:
:
:
:
'
:
:
জ্যোতিষী : ওরে
হারামজাদা তোরতো চুলকানি
হয়েছে!!
ইভটিজিং
গল্পের নামঃ জানা নেই।
.
> আচ্ছা দোস্ত বল তো ইভটিজিংয়ের
জন্য কারা দায়ী?
- নিঃসন্দেহে তোদের কাপড়ের দোষ।
> কেন? কাপড়ের দোষ কিভাবে?
- উল্টাপাল্টা কাপড় পড়লে
ইভটিজিংয়ের স্বীকার তো হবিই।
> ঠিক বলেছিস। এই যে দেখ আমার
কাপড় খুব খারাপ তাই না?
- না তোরটা ঠিক আছে। তবে কিছু
কিছু মেয়ে উল্টাপাল্টা কাপড় পড়ে।
> তাহলে একটু আগে ভার্সিটিতে
আসার সময় আমি আমি কেন
ইভটিজিংয়ের স্বীকার হলাম?
- কারা টিজ করেছে তোকে?
.
> ওই যে রাস্তার পাশে প্রতিদিন যে
ছেলেগুলো দাড়িয়ে থাকে।
- ওহ! ওদের কাজই এসব। যত্তসব
আজাইরা
পোলাপাইন। তুই ওদের দিকে খেয়াল
দিস না।
> আচ্ছা দোস্ত একটা কথা জিজ্ঞেস
করি?
- হ্যাঁ কর।
> আচ্ছা তুই কি কখনো শুনেছিস
আমাদের ভার্সিটির শান্ত ছেলেটা
কখনো কোনো মেয়ের দিকে
কুদৃষ্টিতে তাকিয়েছে?
- শান্ত তো খুব ভদ্র ছেলে। ও কেন
এসব
করতে যাবে?
> কিন্তু শান্তর বান্ধবীদের দেখ।
ওরা
তো মডার্ন ড্রেস পড়ে।
- আরে বাবা বললাম না শান্ত খুব ভদ্র
ছেলে।
.
> আচ্ছা দোস্ত সাদেক ছেলেটা সবসময়
মেয়েদেরকে এত ডিস্টার্ব করে কেন?
- সাদেক তো একটা হারামি। কুত্তাটা
তো ম্যাডামদের ক্লাসেও ফাইজলামি
করে।
> কিন্তু কেন করে? ম্যাডামরা তো
খুব
পরিপাটি পোষাকেই ভার্সিটিতে
আসে।
- সাদেক অভদ্র তাই এমন করে।
.
> এখন তুই নিজেই শান্ত এবং সাদেকের
মাঝে তুলনা করে দেখ।
- কিসের তুলনা?
.
> দেখ, তোর মতে শান্ত ভদ্র তাই সে
কোনো মেয়ের দিকে কুদৃষ্টিতে
তাকায় না। এমন কি শান্তর আসে
পাশে আধুনিক পোষাকে থাকা
বান্ধবীদের দিকেও খারাপ দৃষ্টিতে
তাকায় না। কিন্তু সাদেক তার
বিপরীত। কারণ সাদেকের নজরই
খারাপ।
.
- হ্যাঁ।
> তবুও তুই ইভটিজিংয়ের জন্য
মেয়েদের
পোষাককেই দায়ী করলি। কিন্তু কেন?
- ইয়ে মানে …………
> শুন, তুই কি কখনো শুনেছিস কোনো
কর্মজীবী কিংবা পেশাদার
ব্যক্তিরা ইভটিজিং কিংবা
মেয়েদের সাথে অশ্লীল কোনো কিছু
করেছে?
- না।
.
> আমিও শুনিনি। তবে আমি সবসময়
শুনেছি, রাস্তার বখাটে ছেলেদের
দ্বারা মেয়েরা ইভটিজিংয়ের
স্বীকার হয়েছে। আমি আরো শুনেছি
রেললাইনের পাশে বসে গাজা-
আফিং খোরদের দ্বারা মেয়েরা
ইভটিজিংয়ের স্বীকার হয়েছে। তবুও
এই সমাজ দোষ দিবে কাপড়ের।
.
আমি একটু থেমে আবার বললাম
> দোষ কাপড়ের নয়। দোষ
মনমানসিকতার। তাই বলে এই নয় যে
আমরা বেপরোয়া ভাবে চলাফেরা
করব। আমাদেরকেও সুশীল ভাবে
চলাফেরা করতে হবে।
.
- স্যরি দোস্ত।
> আরে ও কিছু না। চল ক্লাস করতে
যাই।
- চল।
ইভটিজিং
গল্পের নামঃ জানা নেই।
.
> আচ্ছা দোস্ত বল তো ইভটিজিংয়ের
জন্য কারা দায়ী?
- নিঃসন্দেহে তোদের কাপড়ের দোষ।
> কেন? কাপড়ের দোষ কিভাবে?
- উল্টাপাল্টা কাপড় পড়লে
ইভটিজিংয়ের স্বীকার তো হবিই।
> ঠিক বলেছিস। এই যে দেখ আমার
কাপড় খুব খারাপ তাই না?
- না তোরটা ঠিক আছে। তবে কিছু
কিছু মেয়ে উল্টাপাল্টা কাপড় পড়ে।
> তাহলে একটু আগে ভার্সিটিতে
আসার সময় আমি আমি কেন
ইভটিজিংয়ের স্বীকার হলাম?
- কারা টিজ করেছে তোকে?
.
> ওই যে রাস্তার পাশে প্রতিদিন যে
ছেলেগুলো দাড়িয়ে থাকে।
- ওহ! ওদের কাজই এসব। যত্তসব
আজাইরা
পোলাপাইন। তুই ওদের দিকে খেয়াল
দিস না।
> আচ্ছা দোস্ত একটা কথা জিজ্ঞেস
করি?
- হ্যাঁ কর।
> আচ্ছা তুই কি কখনো শুনেছিস
আমাদের ভার্সিটির শান্ত ছেলেটা
কখনো কোনো মেয়ের দিকে
কুদৃষ্টিতে তাকিয়েছে?
- শান্ত তো খুব ভদ্র ছেলে। ও কেন
এসব
করতে যাবে?
> কিন্তু শান্তর বান্ধবীদের দেখ।
ওরা
তো মডার্ন ড্রেস পড়ে।
- আরে বাবা বললাম না শান্ত খুব ভদ্র
ছেলে।
.
> আচ্ছা দোস্ত সাদেক ছেলেটা সবসময়
মেয়েদেরকে এত ডিস্টার্ব করে কেন?
- সাদেক তো একটা হারামি। কুত্তাটা
তো ম্যাডামদের ক্লাসেও ফাইজলামি
করে।
> কিন্তু কেন করে? ম্যাডামরা তো
খুব
পরিপাটি পোষাকেই ভার্সিটিতে
আসে।
- সাদেক অভদ্র তাই এমন করে।
.
> এখন তুই নিজেই শান্ত এবং সাদেকের
মাঝে তুলনা করে দেখ।
- কিসের তুলনা?
.
> দেখ, তোর মতে শান্ত ভদ্র তাই সে
কোনো মেয়ের দিকে কুদৃষ্টিতে
তাকায় না। এমন কি শান্তর আসে
পাশে আধুনিক পোষাকে থাকা
বান্ধবীদের দিকেও খারাপ দৃষ্টিতে
তাকায় না। কিন্তু সাদেক তার
বিপরীত। কারণ সাদেকের নজরই
খারাপ।
.
- হ্যাঁ।
> তবুও তুই ইভটিজিংয়ের জন্য
মেয়েদের
পোষাককেই দায়ী করলি। কিন্তু কেন?
- ইয়ে মানে …………
> শুন, তুই কি কখনো শুনেছিস কোনো
কর্মজীবী কিংবা পেশাদার
ব্যক্তিরা ইভটিজিং কিংবা
মেয়েদের সাথে অশ্লীল কোনো কিছু
করেছে?
- না।
.
> আমিও শুনিনি। তবে আমি সবসময়
শুনেছি, রাস্তার বখাটে ছেলেদের
দ্বারা মেয়েরা ইভটিজিংয়ের
স্বীকার হয়েছে। আমি আরো শুনেছি
রেললাইনের পাশে বসে গাজা-
আফিং খোরদের দ্বারা মেয়েরা
ইভটিজিংয়ের স্বীকার হয়েছে। তবুও
এই সমাজ দোষ দিবে কাপড়ের।
.
আমি একটু থেমে আবার বললাম
> দোষ কাপড়ের নয়। দোষ
মনমানসিকতার। তাই বলে এই নয় যে
আমরা বেপরোয়া ভাবে চলাফেরা
করব। আমাদেরকেও সুশীল ভাবে
চলাফেরা করতে হবে।
.
- স্যরি দোস্ত।
> আরে ও কিছু না। চল ক্লাস করতে
যাই।
- চল।
ভালবাসার জোকস
দুই প্রেমিক প্রেমিকা পারিবারিক
চাপে ঠিক করেছে আত্মহত্যা করবে।
তারা ঠিক করলো হিমালয়
এর উঁচু থেকে লাফ দিবে...
প্রেমিকা: এত উচু তে উঠবো কি
করে??
প্রেমিক: কেনো তুমি জানো না,
প্রেম মানে না কোন বাধা।
তারপর.......
.
.
.
.
.
প্রথমে ছেলেটি ঝাঁপ দিল
কিন্তু মেয়েটি দিল না।
সে চোখ বন্ধ করে বলল,
‘ভালোবাসা অন্ধ’ আমি কিছু দেখতে
চাইনা।
প্রেমিক: কি গো এসো লাফ দাও....
প্রেমিকা: কেনো তুমি জানো না,
যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে,
তবে একলা চলোরে....
ঠিক তখনই ছেলেটি প্যারাসুট খুলে বলল,
হারামজাদি তোর ও জানা দরকার
‘প্রকৃত ভালোবাসা কখনো মরে
না।’...........
হাসির গল্প বল্টু সমাচার 2 বল্টুর প্রযুক্তি
বল্টুর প্রযুক্তি
একবার বল্টু, এক আমেরিকান ও এক
জাপানি প্লেনে বিদেশ যাইতেছিল। তো
যেতে যেতে এক পর্যায়ে হঠাৎ কোথায়
যেন বিপ বিপ শব্দ হল। তো
আমেরিকান ভদ্রলোক তার হাতের এক
যায়গায় চাপ দিতেই বিপ বিপ শব্দ থেমে
গেল। আমেরিকান বলতেসে,"আমার
হাতের নীচে মাইক্রোচিপ, এখান থেকেই
আমার বাসার সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করা
যায়।" এবার কিছুক্ষণ পর হঠাৎ
ফোনের রিংটোন বেজে উঠলো।
জাপানিজ ভদ্রলোক তার কপালে চাপ
দিয়ে বলতেসে,"আমার কপালের নীচে
মাইক্রোচিপ। চাপ দিলেই কল করা ও
রিসিভ করা যায়।" বল্টু চিন্তা
করতেসে কি করা যায়, এদের কাছে
কিছুতেই হার মানা যাবেনা। তো সে
উঠেই টয়লেটে চলে গেল এবং আসার
সময় দেখা গেল তার প্যান্টের ভেতর
থেকে পিছন দিক দিয়ে বিরাট লম্বা
ট্যিসু পেপার ঝুলতেসে। আমেরিকান ও
জাপানী তো এই দেখে বলতেসে,"আরে
বাহহ, এ আবার কোন প্রযুক্তি?"
বল্টুর উত্তর,"ও কিছুনা, ই-মেইল
আসছে, প্রিন্ট দিতেছি।"
হাসির গল্প বল্টু সমাচার 1
ইংরেজী ক্লাস শুরু হয়ে গেছে
ইংরেজী স্যার
বল্টুকে দেখে বল্ল ,বল্টু ইউ আর ছো
লেট
হোয়াই ।
বল্টু: স্যার আমাদের গাড়ি কাঁদার
মধ্যে আটকে
গেছে ।
স্যার : নো,নো টেল মি ইন ইংলিশ ।
বল্টু: স্যার,
¤
¤
¤
¤
¤
¤
¤
our গাড়ি was পড়িং in কাদা no
নড়িং
চড়িং
only ভুম ভুম sound করিং।
স্যার: বেহুস।
হাসতে নেই মানা
এক ভদ্রলোক ঘুমের কারনে কখনোই
সময়
মতো অফিসে যেতে পারেন না।
অফিসের বস একদিন তাকে ডেকে বলে
দিলেন যদি কাল থেকে সময় মতো
অফিসে আসতে না পারো অফিসে
আসার দরকার নেই।
ভদ্রলোক খুব চিন্তিত হয়ে পরলেন
কেননা তিনি তার ঘুমকে নিয়ন্ত্রন
করতে পারেন না। তিনি তার এক
বন্ধুকে সমস্যার কথা বললেন। তার
বন্ধু
তাকে বলল যে, ঘুমের ঔষধ খেয়ে
ঘুমাতে কেননা ঘুমের ঔষধের একটি
মেয়াদ থাকে ৬ ঘণ্টা, ৭ ঘণ্টা ইত্যাদি।
ভদ্রলোক ভাবলেন, বুদ্ধি খারাপ না।
যেই ভাবা সেই কাজ, রাতে ঘুমের ঔষধ
খেয়ে ঘুমালেন।ভদ্রলোকের সকালে ঘুম
ভাঙল। তিনি দেখলেন একদম ঠিক
টাইমে উঠেছেন। তিনি সঠিক টাইমে
অফিসে পৌছে গেলেন। তিনি মনে
মনে অনেক খুশি।
ভাবলেন বসের সাথে দেখা করে
তাকে দেখাবেন যে তিনি ঠিক
টাইমে এসেছেন। তাই চলে গেলেন
বসের রুমে।
গিয়ে বললেন,
★ বস, দেখেন আজ আমি একদম ঠিক
টাইমে এসেছি!
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
বস বললেন,
★আজ না হয় ঠিক টাইমে এসেছেন
কিন্তু গতকাল ছিলেন কোথায়!!?
Hasir golpo
>>জন সিনা একবার এক
দোকানে গেছে রেসলিং
এ জয়ী হওয়া ঘড়ি ঠিক করার
জন্য>>> .
জন সিনা: আমি আমার
এই ঘড়িটা ঠিক করতে চাই।
কত টাকা লাগবে???
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
দোকানদার:
আপনি যা দিয়ে কিনেছেন তার
অর্ধেক
দিলেই চলবে।।।
.
জন সিনা: আমি ঘড়িটা ৩২
টা ঘুসি মেরে পেয়েছি।
তো কয়টা দিতে হবে???
.
-- দোকানদার বেহুশ!!!
মঙ্গলবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
ফেসবুকে
কেউ এড়িয়ে যাবেন না, গল্পটি পড়ুন
এবং শেয়ার করেন.
..→
মসজিদে জামাতে ফজর নামাজ পড়ার
জন্য এক ব্যাক্তি সকাল সকাল ঘুম
থেকে উঠে উযূ করে মসজিদে যাচ্ছে।
মাঝ পথে সে পা পিছলিয়ে পড়ে গেল।
তার কাপড় নষ্ট হয়ে গেল। সে বাসায়
ফিরে এসে কাপড় বদলিয়ে আবার উযূ
করে মসজিদের দিকে রওয়ানা দিল। মাঝ
পথে আবার সে পা পিছলে পড়ে গেল।
তার কাপড় ময়লা হয়ে গেল। সে আবার
বাসায় গেল কাপর বদলিয়ে উযূ করে
মসজিদের দিকে রওয়ানা দিল। মাঝ পথে
আসতে লন্ঠন হাতে এক লোকের
সাক্ষাত পেল। লোকটিকে সে জিজ্ঞাস
করল, আপনি কে? সে উত্তরে বলল,
আমি আপনাকে দুবার পড়ে যেতে
দেখলাম তাই ভাবলাম মসজিদে যাওয়ার
জন্য আমি আপনার প্রদীপের ব্যবস্থা
করে দেই। লোকটি লন্ঠন হাতে তাকে
মসজিদ পর্যন্ত এগিয়ে দিল। তাকে ইনি
বললেন, চলুন নামায পড়ে নেই।
লোকটিকে নামায পড়ার জন্য বারংবার
বলার পর ও অনেক পীড়াপীড়ী করার
পরও লোকটি নামাজপড়ল না। তখন
তাকে জিজ্ঞাস করলঃ আপনি নামায
পড়া পছন্দ করেন না, বলুন তো আপনি
কে? লোকটি উত্তরে বলল, আমি
শয়তান। আমিই আপনাকে ১ম বার পা
পিছলিয়ে ফেলে দিয়েছিলাম যাতে
মসজিদে নামায না পড়ে আপনি বাড়ী
ফিরে যান। কিন্তু আপনি যখন পা
পিছলে পড়ে যাওয়ার পর বাড়ীতে গিয়ে
ফিরে আসলেন তখন আল্লাহ তালা
আপনার সব গোনাহ ক্ষমা করে দিলেন।
দ্বিতীয়বার যখন আপনি পড়ে যাওয়ার
পর বাড়ীতে গিয়ে কাপড় বদলিয়ে আবার
মসজিদের দিকে রওয়ানা দিলেন, তখন
আল্লাহ তালা আপনার পরিবারের সবার
গোনাহ ক্ষমা করে দেন। এরপরও যখন
পড়ে গিয়ে আপনি বাড়ী থেকে কাপড়
বদলিয়ে মসজিদে আসছিলেন, তখন আমি
ভয় পাচ্ছিলাম, না জানি আল্লাহ তালা
এবার আপনার গ্রামবাসীকে ক্ষমা করে
দেন। তাই তাড়াতাড়ি আমি লন্ঠন হাতে
আপনাকে মসজিদে পৌছে দিয়ে গেলাম।
আল্লাহ্ আকবর........
ফেসবুকে
কেউ এড়িয়ে যাবেন না, গল্পটি পড়ুন
এবং শেয়ার করেন.
..→
মসজিদে জামাতে ফজর নামাজ পড়ার
জন্য এক ব্যাক্তি সকাল সকাল ঘুম
থেকে উঠে উযূ করে মসজিদে যাচ্ছে।
মাঝ পথে সে পা পিছলিয়ে পড়ে গেল।
তার কাপড় নষ্ট হয়ে গেল। সে বাসায়
ফিরে এসে কাপড় বদলিয়ে আবার উযূ
করে মসজিদের দিকে রওয়ানা দিল। মাঝ
পথে আবার সে পা পিছলে পড়ে গেল।
তার কাপড় ময়লা হয়ে গেল। সে আবার
বাসায় গেল কাপর বদলিয়ে উযূ করে
মসজিদের দিকে রওয়ানা দিল। মাঝ পথে
আসতে লন্ঠন হাতে এক লোকের
সাক্ষাত পেল। লোকটিকে সে জিজ্ঞাস
করল, আপনি কে? সে উত্তরে বলল,
আমি আপনাকে দুবার পড়ে যেতে
দেখলাম তাই ভাবলাম মসজিদে যাওয়ার
জন্য আমি আপনার প্রদীপের ব্যবস্থা
করে দেই। লোকটি লন্ঠন হাতে তাকে
মসজিদ পর্যন্ত এগিয়ে দিল। তাকে ইনি
বললেন, চলুন নামায পড়ে নেই।
লোকটিকে নামায পড়ার জন্য বারংবার
বলার পর ও অনেক পীড়াপীড়ী করার
পরও লোকটি নামাজপড়ল না। তখন
তাকে জিজ্ঞাস করলঃ আপনি নামায
পড়া পছন্দ করেন না, বলুন তো আপনি
কে? লোকটি উত্তরে বলল, আমি
শয়তান। আমিই আপনাকে ১ম বার পা
পিছলিয়ে ফেলে দিয়েছিলাম যাতে
মসজিদে নামায না পড়ে আপনি বাড়ী
ফিরে যান। কিন্তু আপনি যখন পা
পিছলে পড়ে যাওয়ার পর বাড়ীতে গিয়ে
ফিরে আসলেন তখন আল্লাহ তালা
আপনার সব গোনাহ ক্ষমা করে দিলেন।
দ্বিতীয়বার যখন আপনি পড়ে যাওয়ার
পর বাড়ীতে গিয়ে কাপড় বদলিয়ে আবার
মসজিদের দিকে রওয়ানা দিলেন, তখন
আল্লাহ তালা আপনার পরিবারের সবার
গোনাহ ক্ষমা করে দেন। এরপরও যখন
পড়ে গিয়ে আপনি বাড়ী থেকে কাপড়
বদলিয়ে মসজিদে আসছিলেন, তখন আমি
ভয় পাচ্ছিলাম, না জানি আল্লাহ তালা
এবার আপনার গ্রামবাসীকে ক্ষমা করে
দেন। তাই তাড়াতাড়ি আমি লন্ঠন হাতে
আপনাকে মসজিদে পৌছে দিয়ে গেলাম।
আল্লাহ্ আকবর........
ফেসবুকে
মাঝেমধ্যে কিছু অদ্ভুত
নোটিফিকেশন পাই
যেগুলো দেখলে বেহুঁশ
হইতে সময়
লাগেনা........
1. আজরাইল wants to be your
friend.
Confirm. not now
(কিছু কওয়ার আছে?)
2. মৃত মানুষ has birthday
today.
(কেম্নে সম্ভব?)
3. ছিনতাই কারী is following
you.
(কি সাংঘাতিক ব্যাপার)
4. ক্যাট্রিনা কাইফ invited
you to
like her new page
(কেমনে সহ্য করুম, কন?)
5. খেঁজুর কাটা poked you
(মহা বিপদ সংকেত)
6. এইডস রোগী adde you to
the
public
group আমরা সবাই এইডস
রোগী
(এইডা কিছু হৈল?)
7. কুত্তার বাচ্চা shared your
status.
(!)
8.বিধবা নারী comment on
your
photo "I
want to marry you" ( )
9. তোমার ভালবাসা added
you to
the close group
I_hate_you . !!
ফেসবুকে
মাঝেমধ্যে কিছু অদ্ভুত
নোটিফিকেশন পাই
যেগুলো দেখলে বেহুঁশ
হইতে সময়
লাগেনা........
1. আজরাইল wants to be your
friend.
Confirm. not now
(কিছু কওয়ার আছে?)
2. মৃত মানুষ has birthday
today.
(কেম্নে সম্ভব?)
3. ছিনতাই কারী is following
you.
(কি সাংঘাতিক ব্যাপার)
4. ক্যাট্রিনা কাইফ invited
you to
like her new page
(কেমনে সহ্য করুম, কন?)
5. খেঁজুর কাটা poked you
(মহা বিপদ সংকেত)
6. এইডস রোগী adde you to
the
public
group আমরা সবাই এইডস
রোগী
(এইডা কিছু হৈল?)
7. কুত্তার বাচ্চা shared your
status.
(!)
8.বিধবা নারী comment on
your
photo "I
want to marry you" ( )
9. তোমার ভালবাসা added
you to
the close group
I_hate_you . !!
একবার প্রেমিক প্রেমিকা বিয়ে করবে
বলে ঠিক
করলো, বিয়ের কয়েক মাস আগেমেয়েটির
এক্সিডেন্ট
হল আর তাঁর চেহারা পুরোপুরিনষ্ট হয়ে
গেল!
এর পর মেয়েটি ছেলেটিকে লিখল
আমি তোমাকে বিয়ে করতে পারবোনা,
কারন
আমি সারাজীবন
এমন কুৎসিত থেকে যাব, তুমিতোমার
জন
্য
সুন্দরি কোন মেয়ে খুজে বেরকর কারন
আমি তোমার
যোগ্য না !
এরপর সে তাঁর প্রেমিক এর কাছ থেকে
উত্তর
পেল
"যাই হোক আমার নিজের ও
একটা সমস্যা হয়েছে আমার
চোখে সমস্যা হয়েছে ডাক্তার বলেছে
আমি অন্ধ
হয়ে থাকব এর পরেও যদি তুমিআমাকে
গ্রহন
করতে পারো তাহলে আমি তোমাকেবিয়ে
করব!
এভাবেই তারা বিয়ে করে আর
ভালোবাসা বোঝাপড়া আর আনন্দে ২০
বছর পার
করে দেয়... মেয়েটি অন্ধ স্বামীর
চোখের
আলো আর
পথ প্রদর্শক হয়ে থাকে !
এরপর একদিন
মেয়েটি মৃত্যু সজ্জাতে চলে যায় কিন্তু
মন
খারাপ
করে ফেলে যে সে তাঁর প্রিয়তমকে
আবার অন্ধ
অবস্থায় ফেলে যাবে !!
শেষ পর্যন্ত সে মারা যায়!
যেদিন সে মারা যায় সেদিনই তাঁর স্বামী
সবাই
কে অবাক করে দিয়ে চোখ খোলে!
সে বলে " আমি অন্ধ ছিলাম না,আমি
ভান করতাম
যে আমি অন্ধ কারন সে যাতে তাঁর
অসুন্দর
চেহারার জন্য নিজেকে কখনোছোট
মনে করতে না পারে
কারন আমার ভালোবাসা তাঁর
চেহারার প্রতি ছিলনা, ছিল তাকে
ঘিরেই"
সোমবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
বল্টু পরীক্ষা দিতে গেল,,,,,,
পরীক্ষায়
প্রশ্ন আসলো-
কিভাবে একটা পিপড়া কে মারতে
হয়...?
প্রশ্নটা ১৫ মার্ক
এর।
তো বল্টু উত্তর
লিখেছেঃ
.
.
.
.
.
.
.
.
!
!
!
!
!
!
!
!
প্রথমে চিনির
সাথে মরিচের
গুড়া মিশায়ে রেখে দিতে হবে।
পিপড়া সেটা খেয়ে পানি খুজবে
চারদিকে।
পানির
বালতি তে যেয়ে পিপড়া টা পড়ে
যাবে,তারপর
পিপড়া নিজেকে শুকাতে আগুনের
কাছে যাবে,
আগুনের
কাছে আগে থেকেই
একটা বোম্ব
রাখা লাগবে। বোম্ব
ফুটে পিপড়া আহত
হয়ে হসপিটাল এ
যাবে, তার
মুখে অক্সিজেন
মাস্ক দেয়া থাকবে,
সেই
অক্সিজেন
মাস্ক
টাখুলে দিলেই
পিপড়াটা মরে যাবে।
বল্টু পরীক্ষা দিতে গেল,,,,,, পরীক্ষায় প্রশ্ন আসলো- কিভাবে একটা পিপড়া কে মারতে হয়...? প্রশ্নটা ১৫ মার্ক এর। তো বল্টু উত্তর লিখেছেঃ . . . . . . . . ! ! ! ! ! ! ! ! প্রথমে চিনির সাথে মরিচের গুড়া মিশায়ে রেখে দিতে হবে। পিপড়া সেটা খেয়ে পানি খুজবে চারদিকে। পানির বালতি তে যেয়ে পিপড়া টা পড়ে যাবে,তারপর পিপড়া নিজেকে শুকাতে আগুনের কাছে যাবে, আগুনের কাছে আগে থেকেই একটা বোম্ব রাখা লাগবে। বোম্ব ফুটে পিপড়া আহত হয়ে হসপিটাল এ যাবে, তার মুখে অক্সিজেন মাস্ক দেয়া থাকবে, সেই অক্সিজেন মাস্ক টাখুলে দিলেই পিপড়াটা মরে যাবে।
বল্টু পরীক্ষা দিতে গেল,,,,,, পরীক্ষায় প্রশ্ন আসলো- কিভাবে একটা পিপড়া কে মারতে হয়...? প্রশ্নটা ১৫ মার্ক এর। তো বল্টু উত্তর লিখেছেঃ . . . . . . . . ! ! ! ! ! ! ! ! প্রথমে চিনির সাথে মরিচের গুড়া মিশায়ে রেখে দিতে হবে। পিপড়া সেটা খেয়ে পানি খুজবে চারদিকে। পানির বালতি তে যেয়ে পিপড়া টা পড়ে যাবে,তারপর পিপড়া নিজেকে শুকাতে আগুনের কাছে যাবে, আগুনের কাছে আগে থেকেই একটা বোম্ব রাখা লাগবে। বোম্ব ফুটে পিপড়া আহত হয়ে হসপিটাল এ যাবে, তার মুখে অক্সিজেন মাস্ক দেয়া থাকবে, সেই অক্সিজেন মাস্ক টাখুলে দিলেই পিপড়াটা মরে যাবে।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)