শুক্রবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

আবুল VS বল্টু

বিদেশের এক রেস্টুরেন্ট। তিনজন বাবুর্চি সেখানে কাজ করে। একজন চাইনিজ, একজন জাপানিজ আরেকজন বাংলাদেশী। তিনজনের ভিতর খুব রেষারেষি। একদিন একটা মাছি ঢুকছে কিচেনে। সাথে সাথে চাইনিজটা একটা ছুরি নিয়া এগিয়ে গেলো। কিছুক্ষন সাইসাই করে চালালো বাতাসে। মাছিটা পরে গেলো চার টুকরা হয়ে। সে বাকি দুইজনের দিকে তাকিয়ে বলল, ” এইভাবে আমরা আমাদের শত্রুদের চার টুকরা করে ফেলি।” আরেকদিন মাছি ঢুকতেই জাপানিজটা এগিয়ে গেলো। সাইসাই করে ছুরি চালালো। মাছি আট টুকরা হয়ে গেলো। সে বাকি দুইজনের দিকে তাকিয়ে বলল, ” এইভাবেই আমারা আমাদের শত্রুদের আট টুকরা করে ফেলি” পরেরদিন মাছি ঢুকছে একটা। বাংলাদেশীটা এগিয়ে গেলো। বেচারা অনেকক্ষন ছুরি চালালো। হাপিয়ে গিয়ে এক সময় চলে এলো। বাকি দুইজন বলল, “কি, তোমরা তোমাদের শত্রুদের কিছুই করো না?” “হুমমমম…তোরা বুঝোস না কিছুই। এমন কাম করছি আর এমন জিনিষ কাইটা দিছি যে অই মাছি আর কোনোদিন বাপ হইতে পারবো না! Aniq একদিন রাতের বেলা মন্টু আর ঝন্টু মিলে অনেকগুলো আম চুরি করলো। কিন্তু আমগুলা কোথায় ভাগাভাগি করবে বুঝতে পারছিল না। সামনেই একটা কবরস্থান ছিল। তারা দেওয়াল টপকে কবরস্থানের ভিতর ঢুকে পড়লো। কিন্তু দেওয়াল পার হওয়ার সময় দুইটা আম ঝাঁকি খেয়ে পড়ে গেলো। তারা সেটা তোলার সময় পেল না। তো এক মাতাল সেই রাস্তা দিয়া যাইতেছিল। কবরস্থানের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় শুনতেছে--- "একটা তোর, একটা আমার, একটা তোর, একটা আমার।" এই শুনে মাতাল দ্রুত হাঁটা দিল। সামনেই এক পুলিশের দেখা পেয়ে বলতেছে, "ভাই, কবরস্থানে ভূত আছে। লাশ ভাগাভাগি করতাছে। আরেকটু হইলে আমারেও খাইছিলো। অনেক কষ্টে বাঁইচা আসছি।" পুলিশ বলতেছে, "চলেন দেখি কোথায় আপনার ভূত?" দুইজনেই কবরস্থানের কাছে পৌছে শুনতেছে--- "একটা তোর, একটা আমার, একটা তোর, একটা আমার।" পুলিশ তো ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেছে। হঠাৎই মন্টু তা বুজে বলে উঠলো, "তাইলে দেওয়ালের ওই পাশের দুইডারে কি করবি?" এই শুনে পুলিশ আর মাতাল 'চাচা আপন প্রান বাচা' বলেই দে দৌড়.......।। Jamiul পাগলা গারদে সব পাগল নাচানাচি করছিল.. . শুধু একজন পাগল বসে ছিল... . ডাক্টার ভাবল সেই পাগলটা মনে হয় ভাল হয়ে গেছে । . তাই তাকে জিগ্গেস করা হল সবাই নাচছে তুমি নাচছ না কেন? . উত্তরে পাগলটি বলল... " " , " " " " " " " " " আরে গাঁধাঁ বিয়ে বাড়ীতে কি জামাই কখনো নাচে.... jokes সাগরে নৌকা নিয়ে ঘুরতেছে আমেরিকান, এক পাকিস্তানী আর এক বাংলাদেশী। হঠাৎ পানি থেকে একটা দৈত্য উঠে এল। দৈত্য প্রচন্ড রাগী কন্ঠে বললঃ তোরা অনুমতি ছাড়াই আমার এলাকায় ঢুকেছিস। এখন আমি তোদের মেরে ফেলব! . ওরা তো ভয়ে হাউ-মাউ করে কাঁদতে লাগল। ওদের কান্নায় দৈত্যের মন কিছুটা নরম হল। দৈত্য বললঃ ঠিক আছে, তোদের একটা চান্স দিচ্ছি। তোরা কোন কিছু সাগরের পানিতে ফেলে দিবি। যদি আমি সেটা তুলে আনতে পারি তাহলে তোদের মেরে ফেলব। আর যদি না তুলে আনতে না পারি ছেড়ে দেব। . আমেরিকান লোকটি বন্দুকের একটা বুলেট পানিতে ফেলল। দৈত্য সাথে সাথে সাগরের পানিতে ডুব দিয়ে সেটা তুলে আনল,আর আমেরিকান লোকটিকে মেরে ফেলল। . এবার পাকিস্তানেন লোকটি একটা সুই পানিতে ফেলে দিল।দৈত্য সাথে সাথে সাগরের পানিতে ডুব দিয়ে সেটা তুলে আনল,আর পাকিস্তানী কে মেরে ফেলল। . এবার বাংলাদেশী লোকটির পালা। সে ওর- স্যালাইনের প্যাকেট খুলে সবটুকু স্যালাইন পানিতে ঢেলে দিল !!! এখন ঠেলা সামলাও,বাঙ্গালি কি জিনিস . ১/ টিচারঃ কিরে নান্টু, এত দেরি করে ক্লাসে এলি যে? নান্টুঃ স্যার, আব্বা কইলো, গাভীডারে চেয়ারম্যান- বাড়ির ষাঁড়ের কাছে দিয়াআইতে। টিচারঃ তা, এই কাজটা তোর বাবা করতে পারলোনা ?? . . . . .. নান্টুঃ ছি ছি ছি !! এইডা আপনে কি কইলেন স্যার, ষাঁড়ের কাম কি মানুষেরে দিয়া হইবো নাকি !! (ল্যাও ঠেলা) লুল......

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন